ArchiveIssue Home100%

জেলার বার্তা

2026-10-24 · Issue No. 9
জেলার বার্তা
Issue No. 9
দৈনিক সংবাদপত্র
Vol: 4
Saturday, 24 October 2026
WB-18-0064025
zillarbarta@gmail.com
www.zillarbarta.com
টুকরো খবর
কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘদিন ধরে ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন এলাকায় মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে আলোচনায় থাকা দম্পতি মঙ্গল ও মালতী কলকাতা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার সকালে কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের কাছে তাঁরা নিজেদের কাছে থাকা একটি একে-৪৭ এবং একটি ইনসাস রাইফেল জমা দেন বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে পুলিশ ও নিরাপত্তা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। মঙ্গল ও মালতী দু’জনেই পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। দীর্ঘ সময় ধরে ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলাঞ্চলে তাঁদের সক্রিয়তা ছিল বলে অভিযোগ। বিশেষ করে সারান্ডার জঙ্গলে বিভিন্ন মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে তাঁদের নাম জড়িয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। অবশেষে কলকাতা পুলিশের কাছে তাঁদের আত্মসমর্পণের ঘটনা নতুন করে নজর কেড়েছে।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলের বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনিতে। অন্যদিকে, মালতীর বাড়ি ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুরে। পশ্চিমবঙ্গের এই দুই এলাকার বাসিন্দা হয়েও পরবর্তী সময়ে তাঁরা ঝাড়খণ্ডের মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হন বলে অভিযোগ। মঙ্গলের কার্যকলাপের সূত্রপাত দলমা এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। পরে তিনি সারান্ডার জঙ্গলাঞ্চলে সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঝাড়খণ্ডের এই জঙ্গলাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই মাওবাদী তৎপরতা ও নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানের কারণে আলোচনায় রয়েছে। তবে মঙ্গল ও মালতীর সংগঠনে নির্দিষ্ট ভূমিকা, কত দিন ধরে তাঁরা সক্রিয় ছিলেন এবং কোন কোন ঘটনার সঙ্গে তাঁদের নাম জড়িয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।এই ঘটনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল আত্মসমর্পণের সময় দুটি আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি। প্রদত্ত বিবরণ অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের কাছে একটি একে-৪৭ ও একটি ইনসাস রাইফেল জমা দেন মঙ্গল ও মালতী।
কলকাতা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ মাওবাদী দম্পতি মঙ্গল ও মালতীর, জমা দিলেন একে-৪৭ ও ইনসাস রাইফেল
কালীঘাট মন্দিরে মা কালীর আশীর্বাদ চাইলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও প্রযোজক অমিত আগরওয়াল
কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতা: কলকাতার ঐতিহ্যবাহী কালীঘাট মন্দিরে মা কালীর আশীর্বাদ প্রার্থনা করলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এবং প্রযোজক অমিত আগরওয়াল। দেবী কালীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং পুজো দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁদের এই মন্দিরে উপস্থিতির খবর সামনে এসেছে। বাংলার সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে বিভিন্ন সময়ে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সমাগম ঘটে। কলকাতার অন্যতম প্রসিদ্ধ ধর্মীয় স্থান কালীঘাট মন্দির ভক্তদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। মা কালীর দর্শন ও আশীর্বাদ লাভের আশায় প্রতিদিনই বহু মানুষ এই মন্দিরে উপস্থিত হন। ধর্মীয় বিশ্বাসের পাশাপাশি বাংলার
ত্রিপুরার যুবকের সঙ্গে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অভিযোগ, দিল্লিতে গ্রেফতার আমির শোকিন
নয়াদিল্লি : উত্তর-পূর্ব ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের এক যুবকের সঙ্গে কথিত বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য ও অপমানজনক আচরণের অভিযোগে দিল্লিতে গ্রেফতার করা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমির শোকিনকে। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা সামনে আসে। ঘটনাটি ঘিরে উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। পাশাপাশি, ত্রিপুরা পুলিশও বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ করেছে।
কাকদ্বীপে মুখ্যমন্ত্রীর জনসভাকে সফল করতে আহ্বান দেবাংশু পান্ডার
কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আগামী ২৪ অক্টোবর, শনিবার সকাল ১১টায় কাকদ্বীপ স্টেডিয়ামে পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানিয়ে সকলকে সভায় উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই জনসভাকে সাফল্যমণ্ডিত করে তুলতে সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিভাগ কনভেনার তথা ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডার পক্ষ থেকে জনসভায় যোগ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে বলে প্রদত্ত বার্তায় উল্লেখ রয়েছে। জনসভাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষ, দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে অংশগ্রহণের আহ্বান পৌঁছে দেওয়াই এই বার্তার মূল উদ্দেশ্য। আয়োজকদের প্রত্যাশা, সকলের সম্মিলিত উপস্থিতি ও সহযোগিতার মাধ্যমে সভাটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হবে। প্রদত্ত বার্তায় বলা হয়েছে, আগামী শনিবার সকাল ১১টায় কাকদ্বীপ স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়ে সকলে মিলে জনসভাকে সাফল্যমণ্ডিত করে তুলতে হবে। এই আহ্বানের মাধ্যমে মানুষের কাছে সভার বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং ব্যাপক অংশগ্রহণের পরিবেশ তৈরি করার আবেদন জানানো হয়েছে।
‘গঙ্গা শুধু নদী নয়, আমাদের মা’, হরিদ্বারে গঙ্গার দূষণ নিয়ে সরব দিলীপ ঘোষ
পবিত্র গঙ্গাকে দূষণমুক্ত রাখার বার্তা দিয়ে নাগরিক সচেতনতার প্রশ্ন তুলে ধরলেন দিলীপ ঘোষ। হরিদ্বারে গঙ্গাস্নানের পর নদীর ঘাটে ব্যবহৃত পোশাক ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলে যাওয়ার ঘটনা নতুন করে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিকে সামনে এনেছে। গঙ্গা কোটি কোটি মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তাই এই নদীকে সম্মান জানানো মানে শুধু পুজো বা পুণ্যস্নান নয়, তার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাও। দিলীপ ঘোষের বক্তব্যের মূল সুর, প্রশাসন নদী পরিষ্কারের উদ্যোগ নিলেও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা ছাড়া সেই প্রচেষ্টা সফল করা কঠিন। হরিদ্বার দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। প্রতিদিন বহু মানুষ সেখানে গঙ্গাস্নান ও ধর্মীয় আচার পালন করতে যান। বিশেষ উৎসবের সময় ভিড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জও বাড়তে পারে। স্নানের পর জামাকাপড়, প্লাস্টিক কিংবা পুজোর সামগ্রী নদীতে বা ঘাটে ফেলে দেওয়া পরিবেশের ক্ষতি করতে পারে। এর ফলে নদীর পরিচ্ছন্নতা ও জলজ পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই ব্যবহৃত পোশাক ও অন্যান্য বর্জ্য নির্দিষ্ট সংগ্রহস্থলে ফেলা, ঘাট পরিষ্কার রাখা এবং অন্যদের সচেতন করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য। গঙ্গা শুধু ধর্মীয় আবেগের প্রতীক নয়, কৃষি, জীববৈচিত্র্য ও বহু মানুষের জীবনধারণের সঙ্গেও যুক্ত। ফলে নদী রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। গঙ্গাকে সত্যিকার অর্থে ‘মা’ বলে শ্রদ্ধা জানাতে হলে দূষণ রোধে দৈনন্দিন আচরণেও পরিবর্তন আনতে হবে। তবে নদী দূষণ কমাতে সচেতনতার পাশাপাশি কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত নজরদারিও গুরুত্বপূর্ণ।
৩ এর পাতায়
৩ এর পাতায়
মুল্যঃ৫ টাকা
টোটো-অটো নিয়ন্ত্রণে চাই পরিকল্পনা, নিষেধাজ্ঞা নয়
পশ্চিমবঙ্গের শহর থেকে গ্রাম—টোটো ও অটো সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ ভরসা। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানো-নামানো, নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডের অভাব এবং ট্রাফিক নিয়ম না মানার অভিযোগে বহু জায়গায় যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে টোটো-অটো বন্ধ করে দেওয়া সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়, আবার জনদুর্ভোগ উপেক্ষা করে নিয়ন্ত্রণহীন চলাচল চলতে দেওয়াও গ্রহণযোগ্য নয়। প্রয়োজন এলাকাভিত্তিক পরিকল্পনা, নির্দিষ্ট রুট ও স্ট্যান্ড, বৈধ নথি যাচাই এবং নিয়মিত প্রশাসনিক নজরদারি। একই সঙ্গে অতিরিক্ত যাত্রী বহন, বিপজ্জনক ওভারটেকিং ও ট্রাফিক আইন ভাঙার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ব্যবস্থা নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, এই যানগুলির সঙ্গে বহু পরিবারের জীবিকা জড়িত। তাই জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চালকদের স্বার্থও বিবেচনায় রাখা জরুরি। যানজটের জন্য শুধু টোটো-অটোকে দায়ী না করে অপরিকল্পিত পার্কিং, রাস্তার দখল এবং গণপরিবহণের ঘাটতির মতো সমস্যাও খতিয়ে দেখা দরকার। প্রশাসন, চালক ও নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগেই গড়ে উঠতে পারে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব পরিবহণ ব্যবস্থা। রাস্তা সবার—তাই নিয়ম মানার দায়িত্বও সবার।
সম্পাদকীয়
অন্ধ্র-ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোনোর সম্ভাবনা, সতর্ক নজর আবহাওয়া দপ্তরের
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনকে ঘিরে পূর্ব ভারতের উপকূলবর্তী এলাকায় নতুন করে নজরদারি শুরু হয়েছে। ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের ২৩ অক্টোবর ২০২৬-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি আগামী কয়েক দিনে ক্রমশ শক্তিশালী হতে পারে। অনুকূল পরিস্থিতি থাকলে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থাটি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে এগিয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, বাংলার উপকূলেও কি ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে পারে? বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে আবহাওয়ার পরবর্তী গতিপ্রকৃতি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে, এমন কোনও নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই। নিম্নচাপটির গতিপথ, শক্তি এবং সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে জানতে আবহাওয়া দপ্তরের পরবর্তী বুলেটিনের দিকে নজর রাখা জরুরি।
আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপটি পর্যায়ক্রমে আরও শক্তিশালী হতে পারে। পূর্বাভাসের সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, ২৪ অক্টোবর এটি গভীর নিম্নচাপে এবং ২৫ অক্টোবর অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর ২৬ অক্টোবরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন আবহাওয়াগত পূর্বাভাসের উপর নির্ভরশীল; বাস্তব পরিস্থিতি অনুযায়ী এর সময় ও তীব্রতা বদলাতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য গতিপথ নির্ধারণের ক্ষেত্রে সমুদ্রের তাপমাত্রা, বায়ুমণ্ডলের পরিস্থিতি এবং অন্যান্য আবহাওয়াগত উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে নিম্নচাপ তৈরি হলেই যে তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে, এমন নয়। একইভাবে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলেও সেটি কোন উপকূলের দিকে এগোবে, তা নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
২।
Saturday, 24 October 2026
অপ্রাসঙ্গিক বিষয়কে ইস্যু করে আইনি ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার অভিযোগ, গণতান্ত্রিক কাঠামো রক্ষার বার্তা
নিজস্ব সংবাদদাতা: দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা এবং সামাজিক অস্থিরতা তৈরির প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে, একটি অপ্রাসঙ্গিক বিষয়কে কেন্দ্র করে জনমতকে উত্তেজিত করার মাধ্যমে গোটা আইনি ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তাঁর মতে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পরিবর্তে জনতার উন্মত্ততাকে প্রতিষ্ঠা করার যে কোনও প্রচেষ্টা দেশের সাংবিধানিক কাঠামোর পক্ষে বিপজ্জনক। শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য অনুযায়ী, গণতন্ত্রের মূল শক্তি হল আইন, সংবিধান, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠিত বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা। কোনও নির্দিষ্ট বিষয়কে কেন্দ্র করে মতবিরোধ তৈরি হলে তার সমাধান গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই হওয়া উচিত। কিন্তু সেই বিষয়কে কেন্দ্র করে সামাজিক উত্তেজনা ছড়ানো কিংবা আইনি ব্যবস্থার কর্তৃত্বকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানোর চেষ্টা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যে বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রশ্নটি। তাঁর অভিযোগ, একটি অপ্রাসঙ্গিক বিষয়কে ইস্যু হিসেবে তুলে ধরে এমন পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা হয়েছিল, যার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করা এবং আইনি ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।
গণতান্ত্রিক সমাজে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নানান বিষয়ে বিতর্ক চলতেই পারে। কিন্তু সেই বিতর্কের পরিসর যেন আইন ও সংবিধানের প্রতি আস্থাকে দুর্বল না করে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের অধিকার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান বজায় রাখাও গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। তাঁর বক্তব্যের মূল সুর হলো, কোনও বিষয়কে কেন্দ্র করে জনতার আবেগকে এমনভাবে পরিচালিত করা উচিত নয়, যাতে যুক্তি, আইন এবং সাংবিধানিক ব্যবস্থার পরিবর্তে উত্তেজনা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রক হয়ে ওঠে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন, রাজনৈতিক বিতর্ক, জনমত গঠন এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে। কিন্তু জনমত এবং মুহূর্তের উত্তেজনায় তৈরি হওয়া জনতার প্রতিক্রিয়ার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যে সেই পার্থক্যের বিষয়টিই সামনে এসেছে। তাঁর মতে, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিকে পাশ কাটিয়ে জনতার উন্মত্ততাকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা কোনওভাবেই দীর্ঘমেয়াদে সফল হতে পারে না। কারণ গণতন্ত্র কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের প্রকাশ নয়; এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আইনের শাসন, নাগরিক অধিকার, প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা এবং সংবিধান নির্ধারিত নিয়মকানুন। যে কোনও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইন ও বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনও সিদ্ধান্ত বা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন থাকলে তার সমাধানের জন্য আইনি পথ খোলা রয়েছে। সেই পথ অনুসরণ করার পরিবর্তে সামাজিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলার প্রবণতা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে।
নিজের বক্তব্যে শমীক ভট্টাচার্য অন্যান্য দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামাজিক মেরুকরণের পরিস্থিতিকে সামনে রেখে ভারতেও অনুরূপ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী, প্রান্তিক পরিবারের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগের বার্তা
নিজস্ব সংবাদদাতা: বিশেষ উপজাতি গোষ্ঠীর পরিবারগুলির পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি বিশেষ কর্মসূচির শুভ সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়। সমাজের প্রান্তিক ও বিশেষভাবে সহায়তাপ্রয়োজনীয় পরিবারগুলির কাছে পুষ্টিকর খাদ্য পৌঁছে দেওয়া এবং খাদ্য নিরাপত্তার ভিত আরও মজবুত করার লক্ষ্যেই এই ধরনের কর্মসূচির গুরুত্ব বিশেষভাবে উঠে এসেছে। পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা মানুষের সুস্থ জীবনযাপনের অন্যতম মৌলিক ভিত্তি। বিশেষত প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী উপজাতি পরিবারগুলির ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত খাদ্য, সুষম পুষ্টি এবং প্রয়োজনীয় সরকারি পরিষেবার সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রেক্ষাপটে বিশেষ উপজাতি গোষ্ঠীর পরিবারগুলিকে কেন্দ্র করে গৃহীত কর্মসূচি প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।খাদ্য নিরাপত্তা বলতে শুধু পর্যাপ্ত খাবারের জোগানকেই বোঝায় না; এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে পুষ্টিকর খাবারের প্রাপ্যতা, পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা, খাদ্যের নিয়মিত জোগান এবং নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস। একটি পরিবারের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার পাওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ উপজাতি গোষ্ঠীর পরিবারগুলির আর্থসামাজিক পরিস্থিতি, ভৌগোলিক অবস্থান এবং পরিষেবা পাওয়ার সুযোগের কথা বিবেচনা করে পরিকল্পিত সরকারি উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
কালীঘাট মন্দিরে মা কালীর আশীর্বাদ চাইলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও প্রযোজক অমিত আগরওয়াল
ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গেও এই মন্দিরের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বাংলা চলচ্চিত্র জগতের পরিচিত মুখ। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে পরিচিতি অর্জন করেছেন। অন্যদিকে, প্রযোজক অমিত আগরওয়াল চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রযোজনার জগতের সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের কালীঘাট মন্দিরে উপস্থিতি ঘিরে অনুরাগী ও ভক্তদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। কালীঘাট মন্দির শুধু একটি ধর্মীয় উপাসনাস্থল নয়, এটি কলকাতার ঐতিহ্য ও পরিচয়েরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দেবী কালীর প্রতি ভক্তি, পুজোর আচার-অনুষ্ঠান এবং মন্দিরকেন্দ্রিক ধর্মীয় পরিবেশ বহু মানুষের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। উৎসবের মরসুমে কিংবা বিশেষ তিথিতে মন্দির চত্বরে ভক্তদের ভিড় দেখা যায়। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও দেবীর কাছে প্রার্থনা জানাতে এখানে আসেন। অনেকেই ব্যক্তিগত জীবনের শান্তি, পরিবারের মঙ্গল এবং কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করে দেবীর আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। বাংলা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে বাংলার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বিভিন্ন উৎসব, পুজো এবং সামাজিক অনুষ্ঠানে অভিনেতা-অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র নির্মাতাদের অংশগ্রহণ প্রায়ই সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে।
ত্রিপুরার যুবকের সঙ্গে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অভিযোগ, দিল্লিতে গ্রেফতার আমির শোকিন
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে আমির শোকিনকে ত্রিপুরার এক যুবকের পরিচয় ও চেহারা নিয়ে বিদ্রূপাত্মক এবং কথিত বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য করতে দেখা যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। ভিডিওতে ওই যুবককে প্রতিবেশী একটি দেশের সঙ্গে তুলনা করে কটাক্ষ করার অভিযোগও রয়েছে। ভিডিওটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বহু মানুষ এর নিন্দা করেন এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষের পরিচয় ও চেহারাকে কেন্দ্র করে অপমানজনক মন্তব্য করার বিষয়টি। দেশের প্রতিটি নাগরিকের মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। কোনও ব্যক্তির রাজ্য, জাতিগত পরিচয়, ভাষা কিংবা শারীরিক বৈশিষ্ট্যকে কেন্দ্র করে তাঁকে হেয় করার অভিযোগ উঠলে তার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের সদর বাজার থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯২, ১৯৬, ৩৫২ এবং ৩৫৩ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরপর অভিযুক্তকে খুঁজে বের করতে পুলিশ একাধিক দল গঠন করে। তল্লাশির পর দিল্লির করোল বাগ এলাকা থেকে আমির শোকিনকে গ্রেফতার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ঘটনাটির ভিডিও ও তার সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য খতিয়ে দেখছে দিল্লি পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ফিউশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক অপারেশনস (IFSO) ইউনিট। উত্তর-পূর্ব ভারতের বাসিন্দাদের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগের তদন্তে পুলিশের বিশেষ ইউনিট SPUNER-ও বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এই ঘটনার পর ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা রাজ্যের পুলিশ মহাপরিচালককে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে।
৩।
Saturday, 24 October 2026
তিন রঙের ক্যাপসিকাম চাষে বাড়তি আকর্ষণ, বাড়ির বাগান থেকে বাণিজ্যিক ক্ষেত—সম্ভাবনাময় NSC সিড কম্বো প্যাক
নিজের ছাদবাগান, বারান্দার টব কিংবা চাষের জমিতে লাল, হলুদ ও সবুজ ক্যাপসিকাম ফলানোর পরিকল্পনা করছেন? তাহলে NSC ক্যাপসিকাম সিড কম্বো প্যাক হতে পারে আকর্ষণীয় একটি বিকল্প। তিন রঙের ক্যাপসিকাম বাগানের সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি রান্নাঘরেও আনতে পারে বৈচিত্র্য। সালাদ, স্যান্ডউইচ, পিৎজা, পাস্তা ও নানা ধরনের রান্নায় ক্যাপসিকামের ব্যবহার রয়েছে। বড় জমি না থাকলেও উপযুক্ত টব, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস এবং সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে বাড়িতে ক্যাপসিকাম চাষের চেষ্টা করা যায়। ভালো ফলনের জন্য প্রয়োজন জলনিকাশি ব্যবস্থাযুক্ত ঝুরঝুরে মাটি, পর্যাপ্ত রোদ, নিয়মিত জল এবং গাছের উপযোগী সুষম সার। বীজ থেকে সুস্থ চারা তৈরি করে উপযুক্ত সময়ে রোপণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যিক চাষের ক্ষেত্রে স্থানীয় বাজারে লাল, হলুদ ও সবুজ ক্যাপসিকামের চাহিদা, বিক্রয়মূল্য, উৎপাদন খরচ এবং পরিবহণের ব্যবস্থা আগে যাচাই করে নেওয়া উচিত। কারণ শুধু বীজ কিনলেই লাভ নিশ্চিত হয় না; সঠিক পরিকল্পনা ও বিপণনও সমান জরুরি। NSC সিড কম্বো প্যাক কেনার আগে বীজের জাত, পরিমাণ, বপনের সময় ও প্যাকেটে দেওয়া চাষের নির্দেশিকা ভালোভাবে দেখে নিন। স্থানীয় আবহাওয়া ও মাটির সঙ্গে উপযুক্ত জাত নির্বাচন এবং প্রয়োজনে কৃষি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করলে চাষের ঝুঁকি কমাতে সুবিধা হতে পারে।
ধানের থোড় আসা ও দানা গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে পোকামাকড়ের আক্রমণ, ফলন রক্ষায় সতর্কতা জরুরি
নিজস্ব সংবাদদাতা: ধান চাষের ক্ষেত্রে বুটিং বা থোড় আসার পর্যায় এবং মিল্কিং বা দানা গঠনের প্রাথমিক পর্যায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে ধানগাছে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা দিতে পারে। সময়মতো পোকা শনাক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ধানের শিষ, দানা গঠন এবং শেষ পর্যন্ত ফলনের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। তাই এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জমির নিয়মিত পরিচর্যা ও নজরদারির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
ধানের বুটিং পর্যায়ে শিষ পাতার খোলের ভিতরে বৃদ্ধি পায়। পরবর্তী সময়ে শিষ বেরিয়ে আসে এবং ফুল ফোটা ও দানা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। মিল্কিং পর্যায়ে ধানের দানার ভিতরে দুধের মতো তরল পদার্থ তৈরি হতে থাকে। এই সময়ে পোকামাকড়ের আক্রমণ হলে দানা অপুষ্ট হতে পারে এবং ধানের গুণমান ও ফলন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ধানের বুটিং ও মিল্কিং পর্যায়ে জমির পরিবেশ, আবহাওয়া এবং ধানের জাত অনুযায়ী বিভিন্ন পোকামাকড়ের উপস্থিতি দেখা যায়। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পোকা হল—
১. মাজরা পোকা: মাজরা পোকার শূককীট ধানগাছের কাণ্ডের ভিতরে প্রবেশ করে ক্ষতি করতে পারে। গাছের বৃদ্ধির পর্যায় অনুযায়ী শিষের ক্ষতি হতে পারে। শিষ বেরিয়ে আসার সময় শিষ সাদা বা শুকনো হয়ে গেলে তার কারণ পরীক্ষা করা জরুরি।
২. বাদামি শোষক পোকা: এই পোকা ধানগাছের গোড়ার কাছে অবস্থান করে গাছের রস শোষণ করে। আক্রমণ বেশি হলে গাছ হলদে হয়ে শুকিয়ে যেতে পারে এবং জমির কিছু অংশে পোড়া দাগের মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
৩. গন্ধি পোকা: ধানের দানা গঠনের সময় এই পোকা দানার রস শোষণ করে ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে দুধ অবস্থায় থাকা দানায় আক্রমণ হলে দানা অপুষ্ট বা বিবর্ণ হতে পারে।
৪. শিষকাটা ও শিষের ক্ষতিকারক অন্যান্য পোকা: কিছু পোকা শিষ বা দানার বিভিন্ন অংশে ক্ষতি করতে পারে। তবে শুধু শিষ শুকিয়ে যাওয়া দেখেই নির্দিষ্ট পোকাকে দায়ী করা ঠিক নয়; জমির লক্ষণ ও পোকার উপস্থিতি পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
বুটিং পর্যায়ে ধানগাছের শিষ পাতার খোলের মধ্যে বৃদ্ধি পায়। এই সময়ে গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হলে পরবর্তী সময়ে শিষ বেরোনো, ফুল ফোটা এবং দানা গঠনে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তাই কৃষকদের নিয়মিত জমিতে গিয়ে গাছের অবস্থা পরীক্ষা করা উচিত। পাতার রং পরিবর্তন, গাছের গোড়ায় পোকা, শিষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং শুকিয়ে যাওয়া অংশের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন। জমির একাধিক স্থানে নমুনা পরীক্ষা করলে পোকার আক্রমণের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
মিল্কিং পর্যায়ে ধানের দানার ভিতরে পুষ্টি জমা হতে থাকে। এই সময়ে গন্ধি পোকাসহ দানার ক্ষতিকারক পোকামাকড়ের উপস্থিতি বিশেষভাবে নজরে রাখা দরকার।
বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে দুর্যোগের পরিস্থিতি? ঘূর্ণাবর্ত থেকে নিম্নচাপ, বাংলার আবহাওয়ায় কী প্রভাব পড়বে?
কলকাতা: বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়ার দিকে এখন বিশেষ নজর রাখছে আবহাওয়া দপ্তর। সমুদ্রের উপর তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে ইতিমধ্যেই নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে এই নিম্নচাপ আরও শক্তিশালী হয়ে গভীর নিম্নচাপ এবং পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ফলে পূর্ব ভারতের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে সতর্কতা বাড়ছে। তবে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে সরাসরি ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। প্রাথমিকভাবে বঙ্গোপসাগরের উপর থাকা ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা জানানো হয়েছিল। পরবর্তী আবহাওয়া বুলেটিনে নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৪ অক্টোবরের মধ্যে এটি নিম্নচাপ থেকে গভীরতর পর্যায়ে পৌঁছতে পারে এবং ২৫ অক্টোবর অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অনুকূল পরিস্থিতি থাকলে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে।
তবে ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপের শক্তি বৃদ্ধির বিষয়টি নির্ভর করে সমুদ্রের তাপমাত্রা, বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা এবং বাতাসের গতিপ্রকৃতির মতো বিভিন্ন উপাদানের উপর। তাই পরবর্তী সময়ে এর শক্তি কতটা বাড়বে, তা বুঝতে আবহাওয়া দপ্তরের ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তীতে এটি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে। তবে এর চূড়ান্ত গতিপথ এবং স্থলভাগে প্রবেশের সম্ভাব্য স্থান এখনও নিশ্চিত নয়। এই কারণে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি এখনই নিশ্চিতভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। আবহাওয়া ব্যবস্থাটির গতিপথে পরিবর্তন হলে বিভিন্ন উপকূলবর্তী অঞ্চলে প্রভাবের মাত্রাও বদলাতে পারে। তাই শুধু সম্ভাব্য গতিপথের ভিত্তিতে বাংলায় বড় ধরনের দুর্যোগের পূর্বাভাস দেওয়া ঠিক হবে না।
নিম্নচাপ শক্তিশালী হলে তার প্রভাবে বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন অংশে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠতে পারে এবং উপকূলবর্তী রাজ্যগুলিতে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় কতটা বৃষ্টি হবে, কিংবা কোথায় কত গতিবেগে হাওয়া বইবে, সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট পূর্বাভাস জানতে রাজ্যভিত্তিক আবহাওয়া বুলেটিন অনুসরণ করতে হবে।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং সুন্দরবন-সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের পরবর্তী সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখা উচিত। বিশেষ করে সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় বেড়াতে যাওয়া, মাছ ধরতে যাওয়া এবং নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রে প্রশাসনের নির্দেশিকা মেনে চলা জরুরি। নিম্নচাপের কারণে সমুদ্রে বাতাসের গতিবেগ বাড়তে পারে এবং ঢেউয়ের উচ্চতা বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার আগে আবহাওয়া দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট মৎস্য দপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশিকা দেখে নেওয়া উচিত। নির্দিষ্ট এলাকায় সমুদ্রে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা থাকলে তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
৪।
Saturday, 24 October 2026
WTC 2027-এ শিরোপা ধরে রাখার কঠিন চ্যালেঞ্জ! বাড়তি চাপের কথা স্বীকার করলেন তেম্বা বাভুমা
বিশ্ব টেস্ট ক্রিকেটে সাফল্যের শিখরে পৌঁছনোর পর এবার সেই মুকুট ধরে রাখার কঠিন পরীক্ষার সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০২৫ সালে লর্ডসে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছিল প্রোটিয়ারা। এবার লক্ষ্য ২০২৭ সালের ফাইনালে পৌঁছে চ্যাম্পিয়ন তকমা ধরে রাখা। তবে এই লড়াই যে সহজ হবে না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। বাভুমার মতে, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রতিটি দলই বাড়তি উদ্দীপনা নিয়ে মাঠে নামবে। চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে নিজেদের শক্তি প্রমাণ করতে চাইবে প্রতিপক্ষরা। ফলে প্রতিটি ম্যাচেই বাড়তি সতর্কতা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে প্রোটিয়াদের। তবে এই চাপকে ভয়ের কারণ হিসেবে নয়, বরং নিজেদের দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ হিসেবেই দেখতে চান অধিনায়ক। ২০২৭ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পথে অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে সিরিজ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াও হবে বড় চ্যালেঞ্জ। দলের শক্তিশালী পেস আক্রমণকে কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে চাইবে প্রোটিয়ারা। বাভুমার বিশ্বাস, গতবারের শিরোপা জয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তবে অতীতের সাফল্যে ভরসা করে বসে থাকলে চলবে না। যে পরিশ্রম, পরিকল্পনা ও দলগত সংহতি দক্ষিণ আফ্রিকাকে চ্যাম্পিয়ন করেছিল, সেগুলিই বজায় রাখতে হবে।
আট মাস গর্তে লুকিয়ে থাকার পর ড্রোনে উদ্ধার ইউক্রেনীয় সেনা!
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ময়দানে সামনে এল এক ব্যতিক্রমী উদ্ধার অভিযানের ঘটনা। আট মাসেরও বেশি সময় ধরে একটি ছোট গর্তে আশ্রয় নেওয়ার পর ভারী মালবাহী ড্রোনের সাহায্যে উদ্ধার করা হয়েছে ৪৯ বছর বয়সি ইউক্রেনীয় সেনা কস্তিয়ানতিন ভ্লাসেনকোকে বলে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনা যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন প্রযুক্তির নতুন ব্যবহারের সম্ভাবনা তুলে ধরেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করার সময় রুশ ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হন ভ্লাসেনকো। তাঁর দুই পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা গিয়েছে। এরপর তিনি একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত স্কুলের বয়লারঘরের নিচে থাকা ছোট্ট গর্তে আশ্রয় নেন। চারদিকে গোলাবর্ষণ, শত্রুপক্ষের নজরদারি এবং ড্রোন হামলার আশঙ্কা থাকায় তাঁকে উদ্ধার করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে আহত অবস্থায় ওই সংকীর্ণ আশ্রয়ে কীভাবে তিনি টিকে ছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়। তবে তাঁর ঘটনা যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সেনাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনার চ্যালেঞ্জকে আবারও সামনে এনেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রচলিত স্থলপথে উদ্ধার অভিযান চালানো বিপজ্জনক হওয়ায় ইউক্রেনীয় বাহিনী ছয়টি রোটরযুক্ত একটি ভারী মালবাহী ড্রোন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। গত ৪ অক্টোবর পরিচালিত এই অভিযানে নিরাপত্তাবেল্টের সাহায্যে ভ্লাসেনকোকে ড্রোনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এরপর তাঁকে মাটি থেকে প্রায় ৭০ মিটার উঁচুতে তুলে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরের একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
জেলার বার্তা,ডায়মন্ড হারবার, দক্ষিন ২৪ পরগণা, পিন ৭৪৩৩৩১, জেলার বার্তা নেটওয়ার্ক প্রিন্ট হাউস, এডিটরঃ বরুন কুমার পাল, ফাউন্ডারঃ শান্তনু পুরকাইত ফোনঃ 7478809472, Email: zillarbarta@gmail.com
৩৪ বছরেও স্থায়ী সেতুর অপেক্ষা, কুলপিতে ভরসা কাঠ-বাঁশের সাঁকো!
দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি ব্লকের হোটোগঞ্জ, কুলপি ও করঞ্জলী-সহ বিভিন্ন এলাকায় কাঠের সেতু ও বাঁশের সাঁকোর উপর নির্ভর করে পারাপার করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাঁদের দাবি, প্রায় ৩৪ বছর ধরেও কিছু এলাকায় স্থায়ী সেতুর সমস্যা মেটেনি। জরাজীর্ণ সেতু দিয়ে যাতায়াতে ঝুঁকি বাড়ছে, বিশেষত বর্ষায়। এর প্রভাব পড়ছে পড়াশোনা, চিকিৎসা, জীবিকা ও দৈনন্দিন চলাচলে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভোটের সময় আশ্বাস মিললেও স্থায়ী সমাধান অধরা। তাঁদের দাবি, শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, সেতু নির্মাণের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা, অর্থ বরাদ্দ এবং কাজ শুরুর সময়সীমা জানাক প্রশাসন। উন্নয়নের দাবি তখনই সার্থক হবে, যখন গ্রামবাসীরা নিরাপদে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।
আমেরিকায় ৪০ লক্ষেরও বেশি টুথপেস্ট টিউব প্রত্যাহার, তালিকায় শিশুদের ব্র্যান্ডও
দাঁতের যত্নে ব্যবহৃত টুথপেস্ট নিয়ে আমেরিকায় বড়সড় সতর্কতা জারি হয়েছে। FDA-র নথি অনুযায়ী, ১৭ ধরনের টুথপেস্টের ৪৩ লক্ষেরও বেশি টিউব প্রত্যাহারের আওতায় এসেছে। তালিকায় রয়েছে শিশুদের বিভিন্ন ফ্লেভারের টুথপেস্ট, দাঁত সাদা করা, সংবেদনশীলতা কমানো এবং মাড়ির যত্নের পণ্য। ভারতের Pritam International Private Limited এগুলি তৈরি করেছে এবং আমেরিকায় বিতরণ করেছে Ashtel Studios Inc.। উৎপাদনের নির্ধারিত মান ও নিয়ম পালনে বিচ্যুতির কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ স্বেচ্ছায় প্রত্যাহার শুরু হয় এবং ১৯ অক্টোবর FDA এটিকে ‘Class II’ শ্রেণিভুক্ত করে। এই শ্রেণিতে সাময়িক বা চিকিৎসায় সেরে ওঠার মতো স্বাস্থ্যসমস্যার আশঙ্কা থাকতে পারে। তবে নির্দিষ্ট কোনও দূষণ বা ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়নি।
বিসর্জনের পর কুলটির জলাশয়ে সাফাই অভিযান, পরিচ্ছন্ন হচ্ছে ঘাট
কুলটি: দুর্গাপুজো শেষে প্রতিমা নিরঞ্জনের পর জলাশয় ও ঘাট পরিষ্কারে জোরকদমে নেমেছে প্রশাসন। রাজ্য সরকারের নির্দেশে চলা এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুলটি বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন পুকুরঘাটে চলছে সাফাই অভিযান। বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী ডাঃ অজয় কুমার পোদ্দারের দিশা-নির্দেশে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই আসানসোল পৌর নিগমের সাফাইকর্মীরা বিভিন্ন ঘাটে জমে থাকা ফুল, বেলপাতা, পুজোর সামগ্রী ও প্রতিমার কাঠামোর অংশ সরানোর কাজ শুরু করেন। এদিন নিয়ামতপুর সরকার পুকুরঘাটেও পরিষ্কারের ছবি দেখা যায়। নিরঞ্জনের পর আবর্জনা জমে থাকলে জলদূষণের আশঙ্কা বাড়ে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতেও অসুবিধা হয়। তাই দ্রুত বর্জ্য সরিয়ে ঘাটগুলিকে পরিচ্ছন্ন ও ব্যবহারযোগ্য করে তোলাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। প্রশাসনের পাশাপাশি জলাশয়ে আবর্জনা না ফেলে পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষকেও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।