ArchiveIssue Home100%

Zillar Barta

2026-10-25 · Issue No. 10
জেলার বার্তা
কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা নির্বাচন ঘিরে তৎপর বিজেপি, সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে বিশেষ বৈঠকে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব
নিজস্ব সংবাদদাতা, সল্টলেক: কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৎপরতা বাড়াল বিজেপি। নির্বাচনী প্রস্তুতি, সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক রণকৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যে সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে বিশেষ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব। দুই গুরুত্বপূর্ণ শহরে সংগঠনকে আরও মজবুত করা এবং নির্বাচনী লড়াইয়ের জন্য কর্মীদের প্রস্তুত করাই এই বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে। কলকাতা ও হাওড়ার মতো শহরে পানীয় জল, নিকাশি, রাস্তা সংস্কার, যানজট, পরিচ্ছন্নতা এবং নাগরিক পরিষেবার মতো বিষয়গুলি পুরসভা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই কারণে স্থানীয় সমস্যাগুলিকে সামনে রেখে ভোটারদের কাছে পৌঁছনো বিজেপির কাছে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হতে পারে। বৈঠকে দুই পুরসভা এলাকার সাংগঠনিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা, বুথস্তরে কর্মীদের সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান। ওয়ার্ডভিত্তিক সংগঠন শক্তিশালী করা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং সম্ভাব্য নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়গুলিও গুরুত্ব পেতে পারে। তবে বৈঠকে ঠিক কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পুরসভা নির্বাচনে ভালো ফল করতে হলে শীর্ষ নেতৃত্বের প্রচারের পাশাপাশি স্থানীয় স্তরে সংগঠনকে সক্রিয় রাখা এবং নাগরিক সমস্যার সমাধানে মানুষের পাশে থাকা জরুরি।
Issue No. 10
দৈনিক সংবাদপত্র
Vol: 4
Sunday, 25 October 2026
WB-18-0064025
zillarbarta@gmail.com
www.zillarbarta.com
টুকরো খবর
সারের কালোবাজারি বন্ধ ও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কোচবিহারে সংযুক্ত কিষান মোর্চার মিছিল
নিজস্ব সংবাদদাতা, কোচবিহার: সারের কালোবাজারি বন্ধ, সমস্ত বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কোচবিহারে প্রতিবাদ মিছিল করল সংযুক্ত কিষান মোর্চা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের সমস্যা, ভোটাধিকার রক্ষা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নিজেদের দাবি তুলে ধরেন আন্দোলনকারীরা। মিছিলের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল সারের কালোবাজারি বন্ধ করে কৃষকদের ন্যায্য দামে প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ নিশ্চিত করা। কৃষিকাজে সার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। নির্দিষ্ট সময়ে সার না পাওয়া বা দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে চাষের খরচ বাড়লে কৃষকদের আর্থিক চাপও বৃদ্ধি পায়।
জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও এসআইআর বাতিলের দাবিতে আন্দোলন, ‘দেশ বাঁচানোর লড়াই জারি’
নিজস্ব সংবাদদাতা: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, এসআইআর তালিকা বাতিল এবং সমস্ত বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির দাবিতে আন্দোলন জারি রাখার বার্তা দিলেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের স্লোগান, ‘দেশ বাঁচানোর লড়াই জারি থাকবে’। ভোটাধিকার রক্ষা এবং ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবিকে সামনে রেখেই এই প্রতিবাদ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে কোনও বৈধ নাগরিকের নাম বাদ পড়লে তা গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী। তাই সমস্ত যোগ্য ভোটারের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং ভোটার তালিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের উপর সাধারণ মানুষের আস্থা
বাংলার অশোক সেনের মুকুটে অস্কার ক্লেইন পদক, প্রথম ভারতীয় পদার্থবিদ হিসেবে নজির
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানমঞ্চে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করলেন বিশিষ্ট তাত্ত্বিক পদার্থবিদ অশোক সেন। তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ অস্কার ক্লেইন পদক পেয়েছেন তিনি। এই সম্মান অর্জনকারী প্রথম ভারতীয় পদার্থবিদ হিসেবে নজির গড়লেন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজের এই প্রাক্তনী। স্ট্রিং থিওরি, কৃষ্ণগহ্বরের এনট্রপি এবং কোয়ান্টাম মহাকর্ষ নিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের গবেষণা আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানমহলে বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে। ২২ অক্টোবর সুইডেনের স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের আলবানোভা কেন্দ্রে অস্কার ক্লেইন স্মারক বক্তৃতাও দেন তিনি। ‘গ্র্যাভিটি ফ্রম স্ট্রিংস অ্যান্ড স্ট্রিংস ফ্রম গ্র্যাভিটি’ শীর্ষক বক্তৃতায় স্ট্রিং থিওরি ও মহাকর্ষের পারস্পরিক সম্পর্ক তুলে ধরা হয়। প্রেসিডেন্সি কলেজ ও আইআইটি কানপুরে পড়াশোনার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টনি ব্রুক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেন অশোক সেন। বর্তমানে তিনি বেঙ্গালুরুর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর থিওরেটিক্যাল সায়েন্সেসের ইনফোসিস-মাধব চেয়ার অধ্যাপক। এর আগে ২০১২ সালে ব্রেকথ্রু প্রাইজ ইন ফান্ডামেন্টাল ফিজিক্স, ২০১৪ সালে ডিরাক মেডেল এবং ২০১৩ সালে পদ্মভূষণ সম্মান পেয়েছেন তিনি। ২০০১ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। অস্কার ক্লেইন পদক তাঁর দীর্ঘ গবেষণাজীবনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। অশোক সেনের এই সাফল্য শুধু বাংলার গর্ব নয়, বিশ্ববিজ্ঞানে ভারতীয় গবেষণার অবদানকেও নতুন করে তুলে ধরল।
বাঁ পা হারিয়েও সোনা জয় প্রাক্তন কোবরা কমান্ডো তোমানের
আইইডি বিস্ফোরণে বাঁ পা হারিয়েও হার মানেননি প্রাক্তন কোবরা কমান্ডো তোমান কুমার। ২০২২ সালে ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী দমন অভিযানে আহত হওয়ার পর তিরন্দাজিকে জীবনের নতুন লক্ষ্য করেন তিনি। কঠোর অনুশীলনে ২০২৫ সালের বিশ্ব প্যারা আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপে ব্যক্তিগত সোনা জেতেন। ২০২৬ সালের এশিয়ান প্যারা গেমসে শীতল দেবীর সঙ্গে কম্পাউন্ড মিক্সড টিমে ইন্দোনেশিয়াকে ১৫১-১৪৮ পয়েন্টে হারিয়ে সোনা জেতেন। তাঁর এই সাফল্য অদম্য মানসিক শক্তি, অধ্যবসায় ও নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর অনন্য দৃষ্টান্ত।
নিউ ইয়র্কের পর কলকাতাতেও ঘোড়ায় টানা গাড়ি বন্ধের উদ্যোগ, বিকল্প ই-ভিক্টোরিয়া?
কলকাতার ময়দান ও ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল সংলগ্ন এলাকায় ঘোড়ায় টানা গাড়ির বিকল্প হিসেবে ঐতিহ্যবাহী নকশার বৈদ্যুতিক গাড়ি চালুর পরীক্ষামূলক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পশুকল্যাণ ও যাত্রী নিরাপত্তার পাশাপাশি ঘোড়ার গাড়ির মালিক-চালকদের জীবিকার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। তবে কলকাতায় ঘোড়ার গাড়ি নিষিদ্ধ করার কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। নিউ ইয়র্কেও ২০২৮ সালের মধ্যে ঘোড়ায় টানা গাড়ি বন্ধের পরিকল্পনা রয়েছে।
এরপর ৩ পাতায়
এরপর ৩ পাতায়
মূল্যঃ ৫ টাকা
নেতার সঙ্গে একটি ছবি, নাকি রাজনৈতিক পরিচয়ের শংসাপত্র? কর্মীর আসল পরিচয় ছবিতে নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোয়
বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নেতার সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। কে নেতার কতটা কাছে দাঁড়িয়ে ছবি তুললেন, কার ছবি কত বেশি প্রচার পেল, তা নিয়েই তৈরি হচ্ছে প্রতিযোগিতা। কিন্তু একটি ছবি কি রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা কিংবা যোগ্যতার প্রমাণ? বাস্তবে বহু কর্মী বছরের পর বছর সংগঠনের জন্য কাজ করেন, মানুষের সমস্যায় পাশে দাঁড়ান, অথচ প্রচারের আলোয় আসেন না। অন্যদিকে, নেতার সঙ্গে একটি ছবি অনেক সময় কাউকে বিশেষ প্রভাবশালী হিসেবে তুলে ধরে। অবশ্য শ্রদ্ধা বা স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তোলায় কোনও দোষ নেই। সমস্যা তখনই, যখন ছবিকে রাজনৈতিক গুরুত্বের শংসাপত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। দলের নেতৃত্বেরও উচিত ছবি নয়, কর্মীর নিষ্ঠা, সততা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনসেবার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা। কারণ রাজনীতি শুধু নেতার পাশে দাঁড়ানোর নয়, মানুষের পাশে থাকারও নাম। একটি ছবি পরিচিতি দিতে পারে, কিন্তু মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে পারে না। নেতার পাশে ছবি নয়, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোই একজন কর্মীর প্রকৃত পরিচয়।
সম্পাদকীয়
‘মানুষ জামা পরিবর্তনের জন্য নয়, জামার ভিতরের মানুষটাকে পরিবর্তন করার জন্য বিজেপিকে ভোট দিয়েছে’, শমীক ভট্টাচার্য
কলকাতা: রাজনৈতিক দলবদল ও আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে জল্পনার আবহে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “মানুষ জামা পরিবর্তনের জন্য নয়, জামার ভিতরের মানুষটাকে পরিবর্তন করার জন্য বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।” তাঁর এই বক্তব্যে রাজনৈতিক পরিবর্তন বলতে শুধু দল বা পরিচয় বদল নয়, বরং মানুষের মানসিকতা, আচরণ ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের বিষয়টিই গুরুত্ব পেয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির লড়াই প্রসঙ্গে শমীক দাবি করেন, দল কারও সাহায্য ছাড়াই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। তাঁর বক্তব্যে বিজেপির নিজস্ব সাংগঠনিক শক্তি ও স্বতন্ত্র রাজনৈতিক অবস্থানের উপর জোর দেওয়ার বার্তা উঠে এসেছে। অন্যদিকে, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, দলের কাছে এই ধরনের কোনও খবর নেই। বিষয়টি নিয়ে দলের মধ্যে কোনও আলোচনাও হয়নি বলে স্পষ্ট করেন তিনি। শমীকের এই মন্তব্যের ফলে রাজনৈতিক দলবদল এবং নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে আলোচনা নতুন করে সামনে এসেছে। তবে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে কোনও তথ্য দলের কাছে নেই বলে তাঁর বক্তব্য থেকে স্পষ্ট। সব মিলিয়ে, শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ধারণা, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির একক লড়াইয়ের দাবি এবং পৌরসভা ভোটের আগে দলবদল নিয়ে জল্পনা—এই তিনটি বিষয় উঠে এসেছে। আগামী দিনে পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।
কোচবিহারে বেসরকারি নার্সিংহোমে রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে বিক্ষোভ পরিবারের
কোচবিহারে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান মৃতের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, চিকিৎসার ক্ষেত্রে যথাযথ যত্ন ও সতর্কতা অবলম্বন করা হলে হয়তো এই মর্মান্তিক পরিণতি এড়ানো সম্ভব হত। রোগীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই নার্সিংহোম চত্বরে ভিড় জমে এবং চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পরিবারের সদস্যরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে চিকিৎসায় ঠিক কী ধরনের গাফিলতি হয়েছিল এবং রোগীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পরিবারের অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। অন্যদিকে, নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের তরফেও এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগ দায়ের করা হলে তার ভিত্তিতে তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ করা হতে পারে। রোগীর চিকিৎসার নথিপত্র, শারীরিক অবস্থা এবং চিকিৎসার সময় নেওয়া পদক্ষেপগুলি খতিয়ে দেখলে ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব। আপাতত এই ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি এবং নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের দিকেই নজর রয়েছে।
২।
Sunday, 25 October 2026
কাকদ্বীপ স্টেডিয়ামে সুন্দরবনবাসীর উন্নয়নে বিশেষ জনপরিষেবা কর্মসূচি, উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সুন্দরবনবাসীর সার্বিক উন্নয়ন এবং তাঁদের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ স্টেডিয়ামে আয়োজিত হল বিশেষ জনপরিষেবা প্রদান কর্মসূচি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী। সুন্দরবন অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া এবং প্রশাসনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। নদীভাঙন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যোগাযোগের সমস্যা ও জীবিকার নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি সুন্দরবনের বাসিন্দাদের কাছে সরকারি পরিষেবা সহজলভ্য করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই ধরনের কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কাকদ্বীপ স্টেডিয়ামে এই আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে, সুন্দরবনবাসীর সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তরের এই উদ্যোগের কেন্দ্রে রয়েছে জনপরিষেবা ও মানুষের কল্যাণের বিষয়টি। তবে কর্মসূচিতে ঠিক কোন কোন পরিষেবা প্রদান করা হয়েছে, কতজন উপভোক্তা সুবিধা পেয়েছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী কী কী ঘোষণা করেছেন, সেই সংক্রান্ত নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আরও তথ্যসমৃদ্ধ করে তোলা সম্ভব হবে।বিশেষত সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দাদের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দুর্গম ভৌগোলিক পরিস্থিতির কারণে অনেক সময় বিভিন্ন পরিষেবা গ্রহণ করতে সাধারণ মানুষকে সমস্যার মুখে পড়তে হয়। সেই প্রেক্ষাপটে সুন্দরবনবাসীর সার্বিক উন্নয়নকে সামনে রেখে এই ধরনের কর্মসূচি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সারের কালোবাজারি বন্ধ ও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কোচবিহারে সংযুক্ত কিষান মোর্চার মিছিল
তাই সারের সরবরাহ ব্যবস্থায় নজরদারি বাড়ানো, বেআইনি মজুত ও কালোবাজারির অভিযোগ খতিয়ে দেখা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। পাশাপাশি, সমস্ত বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও তোলা হয় মিছিল থেকে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, কোনও যোগ্য নাগরিক যেন ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং নাম বাদ পড়া বা অন্য কোনও ভুলের অভিযোগের যথাযথ নিষ্পত্তির দাবিও এই প্রসঙ্গে গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করেন আন্দোলনকারীরা। নির্বাচন প্রক্রিয়া ও ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নিজেদের আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহি এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার দাবি তোলেন তাঁরা। তবে এই দাবিগুলির বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য সামনে আসেনি। সারের কালোবাজারি বন্ধ এবং বৈধ ভোটারদের অধিকার সুরক্ষার দাবিকে একসঙ্গে সামনে রেখে কোচবিহারে সংযুক্ত কিষান মোর্চার এই প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এখন আন্দোলনকারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর থাকবে।
৩।
Sunday, 25 October 2026
ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বায়োপিকের পোস্টার লঞ্চ, উপস্থিত শুভেন্দু অধিকারী ও পরিচালক সুচন্দ্রা বানিয়া
ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে নির্মিত বায়োপিকের পোস্টার লঞ্চ অনুষ্ঠান ঘিরে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। কলকাতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, ছবির লেখক ও পরিচালক সুচন্দ্রা বানিয়া এবং আরও বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। পোস্টার প্রকাশের মাধ্যমে ছবির নির্মাণ উদ্যোগটি আনুষ্ঠানিকভাবে সামনে আসে। শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তিনি ভারতীয় জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও পরিচিত। তাঁর জীবন, রাজনৈতিক আদর্শ এবং দেশের রাজনীতিতে ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে। এই বায়োপিকের মাধ্যমে তাঁর জীবনের কোন কোন অধ্যায় বড় পর্দায় তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হতে পারে। তবে ছবির কাহিনি, অভিনয়শিল্পীদের তালিকা, মুক্তির তারিখ এবং নির্মাণ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে সামনে আসেনি। বাস্তব ব্যক্তিত্বকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক তথ্য ও সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের যথাযথ উপস্থাপন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এখন নির্মাতাদের পরবর্তী ঘোষণা এবং ছবির বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন আগ্রহীরা।
দৌড়ানো পছন্দ নয়? সমপরিমাণ ক্যালোরি খরচ করতে বেছে নিন এই ৮টি বিকল্প ব্যায়াম
দৌড়ালে প্রচুর ক্যালোরি খরচ হয়, শরীরের সহনশক্তি বাড়ে এবং হৃদ্‌যন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে—এ কথা অনেকেরই জানা। ওজন নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিয়মিত দৌড়ানোর একাধিক উপকারিতা রয়েছে। তবে সবার পক্ষে দৌড়ানো সম্ভব নয়। কারও হাঁটু বা গোড়ালিতে অস্বস্তি হয়, কেউ আবার শারীরিক সীমাবদ্ধতা, অতিরিক্ত ওজন কিংবা সময়ের অভাবে দৌড়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন না। আবার অনেকের কাছে দৌড়ানো একঘেয়ে বা ক্লান্তিকরও মনে হতে পারে।
তবে দৌড়াতে না পারলেই যে ক্যালোরি খরচ কম হবে, এমনটা নয়। দৌড়ানোর পরিবর্তে বেশ কিছু বিকল্প শারীরিক কার্যকলাপ বেছে নেওয়া যায়, যেগুলি নিয়মিত করলে শক্তি খরচ, সহনশক্তি বৃদ্ধি এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। তবে কোন ব্যায়ামে কত ক্যালোরি খরচ হবে, তা নির্ভর করে ব্যক্তির ওজন, ব্যায়ামের তীব্রতা, সময়কাল, বয়স এবং শারীরিক সক্ষমতার উপর।
দৌড়ানোর অন্যতম সহজ বিকল্প হল দ্রুত হাঁটা। এতে শরীর সচল থাকে, হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং নিয়মিত অভ্যাস করলে ওজন নিয়ন্ত্রণেও উপকার পাওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা দীর্ঘদিন ব্যায়াম করেননি, তাঁদের জন্য স্বাভাবিক গতিতে হাঁটা দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে গতি বাড়ানো একটি বাস্তবসম্মত উপায়।
দৌড়ানোর তুলনায় দ্রুত হাঁটায় সাধারণত প্রতি মিনিটে কম ক্যালোরি খরচ হয়। তাই একই পরিমাণ শক্তি খরচ করতে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সময় হাঁটতে হতে পারে। তবে হাঁটার সময় গতি বাড়ানো, উঁচু-নিচু পথে হাঁটা বা নিরাপদ ট্রেডমিলে ইনক্লাইন ব্যবহার করলে শক্তি খরচ বাড়তে পারে।
দৌড়ানোর বিকল্প হিসেবে সাইকেল চালানো বেশ কার্যকর হতে পারে। এটি পায়ের পেশি সক্রিয় রাখে এবং হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসের সহনশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। রাস্তার সাইকেল বা স্থির সাইকেল—দুইভাবেই এই ব্যায়াম করা সম্ভব। সাইকেল চালানোর সুবিধা হল, নিজের শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী গতি ও প্রতিরোধের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কম গতিতে শুরু করে ধীরে ধীরে সময় ও তীব্রতা বাড়ানো যেতে পারে। তবে সাইকেল চালানোর সময় নিরাপদ রাস্তা, উপযুক্ত হেলমেট এবং সঠিক সাইকেলের উচ্চতা নিশ্চিত করা জরুরি।
যাঁরা দৌড়ানোর সময় হাঁটু, গোড়ালি বা কোমরে অতিরিক্ত চাপ অনুভব করেন, তাঁদের কাছে সাঁতার একটি সম্ভাব্য বিকল্প হতে পারে। জলে শরীরের ওজনের কারণে জয়েন্টের উপর চাপ তুলনামূলকভাবে কম পড়ে। একই সঙ্গে সাঁতারে শরীরের একাধিক পেশি কাজ করে।
সাঁতারের গতি, স্ট্রোকের ধরন এবং বিরতির সময়ের উপর ক্যালোরি খরচ নির্ভর করে। দ্রুত সাঁতারে শক্তি খরচ বেশি হতে পারে, আবার ধীর গতিতে সাঁতার কাটা দীর্ঘ সময় ধরে শরীর সচল রাখার উপায়। তবে যাঁদের সাঁতার জানা নেই, তাঁদের প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে নিরাপদ পরিবেশে শেখা উচিত।
ব্যায়াম করতে ভালো না লাগলেও নাচের মাধ্যমে শরীর সচল রাখা যায়। দ্রুত ছন্দের নাচ, জুম্বা বা অ্যারোবিক ডান্সে হাত-পা এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ সক্রিয় থাকে। ফলে এটি কার্ডিও ব্যায়ামের বিকল্প হতে পারে।
নাচের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা হল, গান ও ছন্দের কারণে অনেকের কাছে ব্যায়ামটি বেশি আনন্দদায়ক মনে হয়। নিয়মিত নাচলে সহনশক্তি ও সমন্বয় ক্ষমতা বাড়তে পারে। তবে নাচের ধরন অনুযায়ী হাঁটু ও গোড়ালিতে চাপ পড়তে পারে। তাই নতুনদের কম তীব্রতার নাচ দিয়ে শুরু করা এবং ব্যথা হলে থেমে যাওয়া উচিত।
দড়ি লাফ একটি উচ্চ-তীব্রতার ব্যায়াম। অল্প সময়ের মধ্যেই শরীরের শক্তি খরচ বাড়াতে পারে। পাশাপাশি পায়ের পেশি, ভারসাম্য এবং শরীরের সমন্বয় ক্ষমতা উন্নত করতেও সাহায্য করে।
তবে দড়ি লাফ সবার জন্য উপযুক্ত নয়। এতে বারবার মাটিতে অবতরণের কারণে হাঁটু, গোড়ালি ও পায়ের পাতায় চাপ পড়ে। অতিরিক্ত ওজন, জয়েন্টের সমস্যা বা ভারসাম্যের অসুবিধা থাকলে চিকিৎসক বা ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ ছাড়া এই ব্যায়াম শুরু না করাই ভালো। যাঁরা উপযুক্ত, তাঁরা অল্প সময়ের কয়েকটি পর্ব দিয়ে শুরু করতে পারেন।
সিঁড়ি বেয়ে ওঠাও শক্তি খরচের একটি কার্যকর উপায় হতে পারে। এতে পায়ের পেশি কাজ করে এবং হৃদ্‌যন্ত্রের উপর কাজের চাপ বাড়ে। তবে দৌড়ানোর মতো একই পরিমাণ ক্যালোরি খরচ হবে কি না, তা ওঠার গতি, সময় এবং ব্যক্তির ওজনের উপর নির্ভর করে।
নতুনরা ধীরে ধীরে কয়েক ধাপ সিঁড়ি ওঠা দিয়ে শুরু করতে পারেন। ওঠার সময় রেলিং ব্যবহার করা এবং নামার সময় সতর্ক থাকা জরুরি। হাঁটুতে ব্যথা, ভারসাম্যের সমস্যা বা হৃদ্‌যন্ত্রের অসুস্থতা থাকলে এই ব্যায়াম শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
বাড়িতে বা জিমে বিভিন্ন ধরনের অ্যারোবিক ব্যায়াম করা যায়। যেমন—মার্চিং, সাইড স্টেপ, নিয়ন্ত্রিত গতিতে হাত-পা চালানো কিংবা প্রশিক্ষকের নির্দেশে কম তীব্রতার কার্ডিও রুটিন। এগুলির মাধ্যমে শরীরের বড় পেশিগুলিকে সক্রিয় রাখা সম্ভব।
অ্যারোবিক ব্যায়ামের সুবিধা হল, নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী গতি এবং সময় ঠিক করা যায়। যাঁরা দৌড়াতে পারেন না, তাঁরা লাফানো ছাড়া কম-প্রভাবযুক্ত ব্যায়াম বেছে নিতে পারেন। তবে প্রতিটি ব্যায়ামের সঠিক পদ্ধতি শেখা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে ভুল ভঙ্গির কারণে পেশি বা জয়েন্টে আঘাত না লাগে।
জিমে রোয়িং মেশিন ব্যবহার করেও কার্ডিও ব্যায়াম করা যায়। এই যন্ত্রে পা দিয়ে চাপ দেওয়া, শরীরের অবস্থান নিয়ন্ত্রণ করা এবং হাত দিয়ে টানার মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন পেশি একসঙ্গে কাজ করে। সঠিক কৌশলে রোয়িং করলে হৃদ্‌যন্ত্রের সহনশক্তি ও পেশির কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।
তবে যাঁদের কোমর বা পিঠে সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে সঠিক ভঙ্গি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষকের সাহায্যে কৌশল শিখে কম প্রতিরোধে শুরু করা ভালো।
দৌড়ানোর পরিবর্তে অন্য ব্যায়াম বেছে নিলে একটি বিষয় মনে রাখা দরকার—একই সময় ধরে সব ব্যায়ামে সমান ক্যালোরি খরচ হয় না। উদাহরণস্বরূপ, দ্রুত হাঁটার তুলনায় জোরে সাইকেল চালানো বা দ্রুত সাঁতারে প্রতি মিনিটে শক্তি খরচ বেশি হতে পারে। আবার ধীর গতির ব্যায়াম বেশি সময় ধরে করলে মোট শক্তি খরচ বাড়ানো সম্ভব।
সাধারণভাবে, কোনও ব্যায়ামে আনুমানিক ক্যালোরি খরচ নির্ধারণের জন্য ব্যক্তির ওজন, ব্যায়ামের তীব্রতা এবং সময়কাল বিবেচনা করা হয়। তাই সবার জন্য একই সময়ের নির্দিষ্ট ব্যায়ামকে দৌড়ানোর সমতুল্য বলা ঠিক নয়। স্মার্টওয়াচ বা ফিটনেস ট্র্যাকার আনুমানিক হিসাব দিতে পারে, কিন্তু সেই হিসাবও পুরোপুরি নির্ভুল নয়।
২০২৯-এ মুড়িগঙ্গা সেতুর উদ্বোধনের প্রতিশ্রুতি, ছাত্রীদের ৫০ হাজার টাকা ও এক বছরে এক লক্ষ চাকরির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
কাকদ্বীপ: গঙ্গাসাগরের যোগাযোগ ব্যবস্থা, নারীশিক্ষা ও কর্মসংস্থানকে সামনে রেখে একাধিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনিক কর্মসূচিতে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, ২০২৯ সালে মুড়িগঙ্গা সেতুর উদ্বোধন করা হবে। সেতু তৈরি হলে গঙ্গাসাগরের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি পর্যটন ও স্থানীয় অর্থনীতিতে সুবিধা হতে পারে। ছাত্রীদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে তিন বছরে মোট ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তার ঘোষণাও করেন তিনি। প্রথম দুই বছরে ১৭ হাজার টাকা করে এবং তৃতীয় বছরে ১৬ হাজার টাকা দেওয়ার কথা জানান। পাশাপাশি ১৮ বছরের আগে মেয়েদের বিয়ে না দেওয়ার আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই ১১ হাজার পুলিশকর্মীকে চাকরি দেওয়া হয়েছে এবং আগামী এক বছরে এক লক্ষ চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, কর্মসূচিতে ১ লক্ষ ২৪ হাজার নাগরিকের হাতে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা তুলে দেওয়া হয়েছে। এখন ঘোষিত প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন ও নির্ধারিত সময়সীমা নিয়ে নজর থাকবে সুন্দরবনবাসীর।
চোরবাগান দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে সরকার, স্নেহা ভাণ্ডারী ও বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন
কলকাতা: চোরবাগানের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ১৯ জনের প্রাণহানির ঘটনায় শোকস্তব্ধ পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিল সরকার। নিহতদের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাকরাহাটের স্নেহা ভাণ্ডারী এবং হাওড়ার সালকিয়ার বিকাশ ভট্টাচার্য রয়েছেন। তাঁদের বাড়িতে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ জনপ্রতিনিধিরা। নিহতদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান তাঁরা। পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়। সরকারি উদ্যোগে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হয়। প্রিয়জনকে হারানোর অপূরণীয় ক্ষতি কোনও সাহায্যেই পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে এই কঠিন সময়ে পরিবারগুলিকে সহযোগিতা করা এবং তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
আজ বাংলার আকাশ মূলত পরিষ্কার, উপকূলের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: আজ, শনিবার, ২৪ অক্টোবর, রাজ্যের অধিকাংশ জেলায় মোটের উপর পরিষ্কার ও রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের বেশিরভাগ সময় আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলবর্তী কয়েকটি জেলায় আবহাওয়ার সাময়িক পরিবর্তন হতে পারে। কোথাও কোথাও হঠাৎ মেঘের আনাগোনা এবং অল্প সময়ের জন্য বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে আপাতত বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা নেই বলেই দেওয়া প্রাথমিক আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ইঙ্গিত মিলছে। অন্যদিকে, আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। অক্টোবরের শেষভাগে রাজ্যের আবহাওয়ায় ধীরে ধীরে পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আপাতত বাংলার অধিকাংশ এলাকায় পরিষ্কার আকাশ ও রোদের উপস্থিতি বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকে দিনের প্রথম ভাগ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূল থাকলেও দুপুরের পর কিছু কিছু এলাকায় আকাশের চেহারা বদলাতে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি নজরে রাখা হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাবের কারণে বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি এবং মেঘের আনাগোনা কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে বাড়তে পারে। এর জেরে কোথাও কোথাও আকাশ আংশিক মেঘলা হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। তবে রাজ্যের সর্বত্র বৃষ্টি হবে, এমন কোনও ইঙ্গিত আপাতত নেই। অধিকাংশ এলাকায় শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকার সম্ভাবনাই বেশি। ফলে দৈনন্দিন কাজকর্ম, যাতায়াত কিংবা বাইরে বেরোনোর ক্ষেত্রে বড়সড় কোনও আবহাওয়াজনিত বাধার আশঙ্কা আপাতত দেখা যাচ্ছে না।
Sunday, 25 October 2026
৪
জেলার বার্তা,ডায়মন্ড হারবার, দক্ষিন ২৪ পরগণা, পিন ৭৪৩৩৩১, জেলার বার্তা নেটওয়ার্ক প্রিন্ট হাউস, এডিটরঃ বরুন কুমার পাল, ফাউন্ডারঃ শান্তনু পুরকাইত ফোনঃ 7478809472, Email: zillarbarta@gmail.com
চোরবাগানকাণ্ডে দুই ঘোষককে মুখোমুখি বসিয়ে জেরার প্রস্তুতি পুলিশের, নির্বিঘ্নে সম্পন্ন প্রতিমা বিসর্জন
কলকাতা: চোরবাগান দুর্ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে ধৃত দুই ঘোষক সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টু এবং কুশল মজুমদার ওরফে কালিয়াকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার পরিকল্পনা করছে পুলিশ। ‘মণ্ডপ ভেঙে পড়ছে’ বলে মাইকে ঘোষণা কে করেছিলেন এবং কার নির্দেশে সেই ঘোষণা করা হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। ঘোষণাটি কখন করা হয়েছিল এবং তার সঙ্গে দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও হুড়োহুড়ির কোনও সম্পর্ক ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সময়কার সিসি ক্যামেরার ফুটেজও পরীক্ষা করছেন তদন্তকারীরা। প্রয়োজনে আদালতের অনুমতি নিয়ে দুই অভিযুক্তের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করে অডিয়ো-ভিডিয়োর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হতে পারে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ন’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, শনিবার কলকাতা পুলিশের উদ্যোগে চোরবাগানের দুর্গাপ্রতিমা নিমতলা ঘাটে নিরঞ্জন করা হয়। প্রতিমা মণ্ডপ থেকে বের করতে গেটের একাংশ কাটতে হয়। পরে লোহার কার্টে চাপিয়ে পুলিশি পাহারায় সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ হয়ে প্রতিমা ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়। গোটা প্রক্রিয়ায় পুজো উদ্যোক্তাদের কাউকে দেখা যায়নি। তদন্তের স্বার্থে পুজোমণ্ডপটি সংরক্ষিত রাখা হবে।
চোরবাগানের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে তৎপর পুলিশ, কালীপুজোর আগে নৈহাটির বড়মার মন্দির পরিদর্শন
নৈহাটি: চোরবাগানের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে কালীপুজোর সময় ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে আগাম তৎপর হল ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। কালীপুজো উপলক্ষে নৈহাটির বড়মার মন্দিরে প্রতি বছরই বিপুল সংখ্যক ভক্তের সমাগম হয়। এ বছর প্রায় পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ দর্শনার্থী আসতে পারেন বলে অনুমান পুলিশের। সেই বিপুল ভিড় সামলাতে আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। শনিবার সকালে নৈহাটির বড়মার মন্দির পরিদর্শন করেন পুলিশ কমিশনার অমিত কুমার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মন্দির ফাঁড়ি ও নৈহাটি থানার পুলিশ আধিকারিকেরা। মন্দির চত্বর, গঙ্গার ঘাট এবং অরবিন্দ রোড সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন তাঁরা। দর্শনার্থীদের প্রবেশ ও বেরোনোর পথ, ভিড়ের গতিপ্রকৃতি এবং নৈহাটি স্টেশন থেকে মন্দিরে আসা মানুষের চাপ কীভাবে সামলানো হবে, তা খতিয়ে দেখা হয়। কালীপুজোর দিনগুলিতে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আগামী ২৯ অক্টোবর এই বিষয়ে একটি সমন্বয় বৈঠক হবে। সেখানে স্থানীয় বিধায়ক, মন্দির কমিটির সদস্য এবং এলাকার প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। বৈঠকে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা ও দর্শনার্থীদের যাতায়াত সংক্রান্ত পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।
অন্যদিকে, দর্শনার্থীদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণে একমুখী পথের ব্যবস্থা করছে মন্দির কমিটি। কমিটির মুখপাত্র অনন্ত চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নদিয়া জুট মিলের দিক দিয়ে গঙ্গার পাশ ধরে দর্শনার্থীদের প্রবেশের ব্যবস্থা করা হবে। বড়মার দর্শন শেষে অরবিন্দ রোড দিয়ে তাঁদের বেরিয়ে যাওয়ার পথ নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর ফলে একই পথে প্রবেশ ও প্রস্থানের কারণে ভিড় জমে যাওয়ার আশঙ্কা কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে ড্রোন ব্যবহার করার পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি এনসিসি, র‍্যাফ, প্যারামিলিটারি বাহিনী, স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস এবং মন্দির কমিটির স্বেচ্ছাসেবকেরা নিরাপত্তা ও ভিড় সামলানোর কাজে সহযোগিতা করবেন। কমিটির তরফে পাঁচশোরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। গঙ্গার ঘাটে স্নান ও অন্যান্য কার্যকলাপের সময় দুর্ঘটনা এড়াতেও বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে, কালীপুজোর সময় বড়মার মন্দিরে দর্শনার্থীদের নিরাপদে যাতায়াত ও নির্বিঘ্নে পুজো দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই পুলিশের প্রধান লক্ষ্য।
বিশ্বাস ছিল দলকে জেতাবেন, জানালেন ভারতের নতুন ‘ফিনিশার’ তিলক, উদ্বুদ্ধ হয়েছেন গম্ভীরের কথায়
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে কার্যত হারা ম্যাচ জিতিয়ে ভারতের নতুন ‘ফিনিশার’ হিসেবে উঠে এলেন তিলক বর্মা। শনিবার ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তাঁর অপরাজিত ৫১ রানের ইনিংসে চার উইকেটে জয় পায় ভারত। ১৮১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একসময় ৭০ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল দল। সেই পরিস্থিতিতে তিলক ও নীতীশ কুমার রেড্ডির জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ম্যাচের পর তিলক জানান, কোচ গৌতম গম্ভীর ও ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটকের পরামর্শ তাঁকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিল। তাঁরা বলেছিলেন, গোটা দেশ তাঁর উপর বিশ্বাস রাখে এবং শেষ পর্যন্ত ক্রিজে টিকে থাকতে পারলে তিনি দলকে জেতাতে পারবেন। সেই কথাই মাথায় রেখে ইনিংস শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি। পঞ্চম উইকেটে নমান ধীরের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন তিলক। পরে নীতীশের সঙ্গে ৩০ বলে ৬৯ রানের জুটি গড়ে জয় নিশ্চিত করেন। তিলকের মতে, পিচ আগের ম্যাচের তুলনায় মন্থর ছিল। তাই স্পিনারদের বিরুদ্ধে বড় শট খেলার পাশাপাশি দৌড়ে রান নেওয়ার উপরও জোর দিয়েছিলেন তাঁরা। পঞ্চম উইকেটে নীতীশের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেন তিলক। তাঁর মতে, পিচ আগের ম্যাচের তুলনায় মন্থর ছিল। তাই স্পিনারদের বিরুদ্ধে বড় শট খেলার পাশাপাশি দৌড়ে রান নেওয়ার উপরও জোর দিয়েছিলেন তাঁরা। নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার চার উইকেট নিলেও ভারতকে আটকাতে পারেননি। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত. কঠিন পরিস্থিতিতে দলের পাশে দাঁড়িয়ে ম্যাচ শেষ করতে পেরে গর্বিত তিলক। তাঁর ইনিংসে ধৈর্য ও পরিস্থিতি বুঝে খেলার দক্ষতা স্পষ্ট হয়েছে। চাপের মুখে ঠান্ডা মাথায় ব্যাট করে দলকে জেতানোর এই পারফরম্যান্স আগামী ম্যাচগুলিতেও তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।