


নিজস্ব সংবাদদাতা, কুলতলী: গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা লোকজ ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনা এবং পুলিশ-জনতার মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন মজবুত করতে অভিনব উদ্যোগ নিল কুলতলী থানা। রবিবার, ২৫ অক্টোবর, থানার প্রাঙ্গণে আয়োজিত হয় ‘পুলিশ-জনতা সম্প্রীতি দড়ি টানাটানি প্রতিযোগিতা ২০২৬’। থানার অফিসার ইনচার্জ নির্মল দাসের ব্যবস্থাপনায় এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় এলাকার মোট ২৪টি দল। গ্রামবাংলায় দড়ি টানাটানি ‘কাছি টানা’ নামেও পরিচিত। একসময় গ্রামীণ উৎসব, মেলা ও সামাজিক অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল এই খেলা। আধুনিক বিনোদনের প্রভাবে জনপ্রিয়তা কমতে থাকায় ঐতিহ্যবাহী খেলাটিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ। প্রতিযোগিতায় গোপালগঞ্জ, জালাবেড়িয়া, কুন্দখালি, মেরিগঞ্জ, দেউলবাড়ি, চুপড়িঝাড়া, নলগোড়া-সহ বিভিন্ন এলাকার দল অংশ নেয়। মাঠজুড়ে চলে শক্তি, কৌশল ও দলগত সংহতির লড়াই। প্রতিযোগিতা শেষে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারী দলগুলিকে জার্সি, ট্রফি ও নগদ অর্থ দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য শুধু খেলাধুলায় সীমাবদ্ধ ছিল না। খেলাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকার মানুষকে একত্রিত করা এবং পুলিশের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সম্পর্ক আরও আন্তরিক করে তোলাও ছিল অন্যতম লক্ষ্য। সব মিলিয়ে, কুলতলী থানার এই উদ্যোগে একদিকে যেমন গ্রামবাংলার হারানো লোকজ ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই খেলাধুলার মাধ্যমে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। ঐতিহ্যের টানে, সম্প্রীতির বন্ধনে—এই বার্তাই উঠে এল ২৪ দলের কাছি টানা প্রতিযোগিতায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা: পূর্ব ভারত ও পশ্চিম ভারতের মধ্যে রেল যোগাযোগ আরও সুগম করার লক্ষ্যে ২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার সাঁতরাগাছি থেকে রাজস্থানের জয়পুরের খাতিপুরা পর্যন্ত নতুন এক্সপ্রেস পরিষেবার সূচনার খবর সামনে এসেছে। এই পরিষেবা চালু হলে পশ্চিমবঙ্গ ও রাজস্থানের মধ্যে যাত্রীদের যাতায়াত, পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজস্থানে যাতায়াত করেন বহু পর্যটক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও শিক্ষার্থী। তাঁদের কাছে দূরপাল্লার ট্রেন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহণ মাধ্যম। নতুন এই রেল পরিষেবা যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনায় সুবিধা আনতে পারে। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক আদানপ্রদানও বাড়তে পারে। রাজস্থানের রাজধানী জয়পুর ঐতিহাসিক দুর্গ, প্রাসাদ ও পর্যটনকেন্দ্রের জন্য পরিচিত। ফলে এই রেল সংযোগ পর্যটকদের যাতায়াতের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কর্মসূত্রে অন্য রাজ্যে থাকা মানুষ এবং পারিবারিক প্রয়োজনে যাতায়াতকারী যাত্রীদের জন্যও উন্নত রেল যোগাযোগ বিশেষ সুবিধাজনক। রেল যোগাযোগের উন্নতি ব্যবসায়িক সফর ও আন্তঃরাজ্য বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে পরিষেবাটির প্রকৃত সুবিধা নির্ভর করবে ট্রেনের নির্দিষ্ট রুট, স্টপেজ, সময়সূচি, ভাড়া, আসনসংখ্যা এবং নিয়মিত চলাচলের উপর। পূর্ব ও পশ্চিম ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই পরিষেবা কতটা সুবিধা নিয়ে আসে, এখন সেদিকেই নজর।
নিজস্ব সংবাদদাতা, তমলুক: পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক সাংগঠনিক জেলার কাকগেছিয়ায় বিজেপির নতুন দলীয় কার্যালয় নির্মাণের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হল ভূমিপূজন অনুষ্ঠান। এই কর্মসূচিকে ঘিরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নতুন কার্যালয় নির্মাণের উদ্যোগকে দলের সাংগঠনিক পরিকাঠামো আরও মজবুত করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একটি রাজনৈতিক দলের দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালনা, কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা এবং বিভিন্ন কর্মসূচির পরিকল্পনা তৈরিতে দলীয় কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সেই দিক থেকে কাকগেছিয়ায় নতুন কার্যালয় তৈরি হলে তমলুক সাংগঠনিক জেলার বিজেপির কর্মীদের জন্য একটি স্থায়ী সাংগঠনিক কেন্দ্র গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কার্যালয়কে কেন্দ্র করে দলীয় বৈঠক, সাংগঠনিক আলোচনা, জনসং
কাঁকসা: লক্ষ্মীপুজোর ভোরে কাঁকসার বিরুডিহা এলাকায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারের রেলিং ভেঙে সার্ভিস রোডে উল্টে গেল বালিবোঝাই ট্রেলার। গুরুতর আহত হন খালাসী। পুলিশ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। ক্রেনের সাহায্যে ট্রেলার সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ শুরু করে কাঁকসা থানার পুলিশ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, বারুইপুর: আগামী ৩০ অক্টোবর বারুইপুরের NIC গ্রাউন্ডে ‘অনুপ্রবেশ হটাও, গণতন্ত্র বাঁচাও’ স্লোগানকে সামনে রেখে জনসভার আয়োজন করতে চলেছে বিজেপি। এই সভাকে ঘিরে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে। রেকর্ড সংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটানোর লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে দলীয় নেতৃত্ব। জনসভাকে সফল করতে সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিজেপির প্রদেশ, বিভাগ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার তিনটি সাংগঠনিক জেলার শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। কর্মী-সমর্থকদের অংশগ্রহণ, প্রচার এবং জ
বারুইপুর: চিকিৎসকের পরিচয় দিয়ে প্রতারণা এবং ভুয়ো ডিগ্রি ব্যবহার করে রোগী দেখার অভিযোগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের বেতবেড়িয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হলেন রুল আমিন খান, যিনি আর এ খান নামেও পরিচিত। অভিযোগ, নিজেকে কলকাতার ট্রপিক
দুর্গাপুর: সিনেমা দেখতে গিয়ে মাল্টিপ্লেক্সের খাবারের কাউন্টার থেকে প্যাটিস কিনে বিপাকে এক দর্শক। অভিযোগ, প্যাটিসটি থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খাবারের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন তুলে সিটি সেন্টার পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মিন্টু মুখার্জি। পাশাপাশি খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরকেও বিষয়টি জানিয়েছেন বলে দাবি তাঁর। অভিযোগ অনুযায়ী, সিনেমা চলাকালীন খাবারের কাউন্টার থেকে প্যাটিস কেনেন মিন্টুবাবু। খেতে গিয়ে দুর্গন্ধ পেয়ে তিনি বিষয়টি কাউন্টারের কর্মীদের জানান। তাঁর দাবি, কর্মীরা খাবারটি বদলে দেওয়ার কথা বলেন। কিন্তু অভিযোগকারীর প্রশ্ন, দুর্গন্ধযুক্ত খাবার বিক্রির অভিযোগ উঠলে শুধু খাবার বদলে দিলেই কি দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়? তাঁর আশঙ্কা, একই কাউন্টার থেকে অন্য ক্রেতাদের কাছেও এমন খাবার বিক্রি হয়ে থাকতে পারে। তাই খাবারটি কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল এবং তার গুণমান ঠিক ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। এই ঘটনায় দ্রুত তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, অভিযোগ উঠলে খাবারের নমুনা পরীক্ষা ও সংরক্ষণ পদ্ধতি যাচাই করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে অন্য ক্রেতাদের সমস্যায় পড়তে না হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: বাঙালির ঘরে ঘরে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো মানেই ভক্তি, নিষ্ঠা আর পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মুহূর্ত। আর সেই পুজো যদি হয় মহানায়ক উত্তম কুমারের বাড়িতে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই তা ঘিরে তৈরি হয় বাড়তি আগ্রহ। এবারের লক্ষ্মীপুজোয় পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে উপস্থিতি এবং নাতি-নাতবউদের দেখা যাওয়ার বিষয়টি ঘিরে কৌতূহল বেড়েছে অনুরাগীদের মধ্যে। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে উত্তম কুমারের নাম আজও উজ্জ্বল। তাঁর অভিনয়, ব্যক্তিত্ব এবং পর্দায় অসাধারণ উপস্থিতি প্রজন্মের পর প্রজন্মের দর্শককে মুগ্ধ করেছে। মহানায়ক আজ আর আমাদের মধ্যে না থাকলেও তাঁর অভিনীত ছবি এবং স্মৃতি বাঙালির সাংস্কৃতিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। উত্তম কুমারের বাড়ির লক্ষ্মীপুজো তাই শুধু ধর্মীয় আয়োজন নয়, পারিবারিক ঐতিহ্যের সঙ্গেও জড়িয়ে থাকা একটি বিশেষ মুহূর্ত। পরিবারের একাধিক প্রজন্মের সদস্যদের একসঙ্গে উপস্থিতি এই উৎসবের আকর্ষণ আরও বাড়িয়েছে। ব্যস্ত জীবনযাপনের মধ্যেও উৎসবের দিনে পরিবারের সকলে একত্রিত হওয়া বাঙালির কাছে আবেগের বিষয়। লক্ষ্মীপুজো মানেই সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গলকামনায় দেবীর আরাধনা। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং পুরনো স্মৃতি ভাগ করে নেওয়ার মধ্যেও রয়েছে উৎসবের আনন্দ। মহানায়কের পরিবারের এই মিলনমেলা সেই পরিচিত বাঙালি আবেগকেই আরও একবার সামনে এনেছে। উত্তম কুমারকে ঘিরে অনুরাগীদের আবেগ আজও অটুট। তাই তাঁর পরিবারের এমন বিশেষ মুহূর্তও বিনোদনপ্রেমীদের নজর কাড়ে। সব মিলিয়ে, মহানায়কের বাড়ির লক্ষ্মীপুজো ঘিরে পারিবারিক ঐতিহ্য, উৎসবের আনন্দ এবং প্রজন্মের বন্ধনের ছবি সামনে এসেছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পরিচয় ও বহুল পরিচিত জোড়াফুল প্রতীকের মালিকানা নিয়ে বিতর্কে নতুন মোড়। ২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীকে প্রয়োজনীয় নথি ও হলফনামা জমা দেওয়ার জন্য আরও ১০ দিন সময় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই নির্দেশের ফলে দলীয় নাম ও প্রতীক নিয়ে চলা বিরোধে আইনি প্রক্রিয়া আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক মহলে এই মামলার অগ্রগতি নিয়ে আগ্রহ বাড়লেও আদালতের নির্দেশকে কোনও পক্ষের চূড়ান্ত জয় হিসেবে দেখার অবকাশ নেই। রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয় ও প্রতীক শুধু সাংগঠনিক বিষয় নয়, নির্বাচনী রাজনীতিতেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই বিরোধের নিষ্পত্তিতে প্রয়োজনীয় নথি, আইনি যুক্তি এবং সংশ্লিষ্ট বিধির ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠী কী নথি জমা দেয় এবং পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়। শেষ পর্যন্ত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এই বিতর্কের পরিণতি স্পষ্ট হবে।
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গি সংক্রমণ ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে। রাজ্যে প্রায় ১৩ হাজার মানুষ আক্রান্ত এবং ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে মুর্শিদাবাদ শীর্ষে রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা ও স্বাস্থ্য দপ্তরের তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। অধীররঞ্জনের বক্তব্য, প্রতি বছর ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দেওয়ার পর প্রশাসনিক বৈঠক ও নানা আশ্বাস সামনে এলেও সংক্রমণ এবং মৃত্যু নিয়ন্ত্রণে কতটা কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর দাবি, ডেঙ্গি প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থা এবং তার বাস্তব ফলাফল সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য সামনে আসা দরকার। ডেঙ্গি মোকাবিলায় জমা জল পরিষ্কার, মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত নজরদারি এবং দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের মতো জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হওয়ার দাবি সামনে এলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে স্বাস্থ্য পরিষেবা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা জরুরি। তবে আক্রান্ত ও মৃত্যুর উল্লিখিত পরিসংখ্যানের নির্দিষ্ট সময়কাল এবং সরকারি স্বাস্থ্য দপ্তরের সর্বশেষ তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। জেলা-ভিত্তিক সংক্রমণের কারণ বুঝতে আক্রান্তের হার, পরীক্ষার সংখ্যা এবং স্থানীয় পরিস্থিতিও বিবেচনা করতে হবে। ডেঙ্গি প্রতিরোধে পুরসভা, পঞ্চায়েত ও স্বাস্থ্য দপ্তরের সমন্বয়ের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতাও গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির আশপাশে জল জমতে না দেওয়া এবং জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এখন নজর রাজ্য সরকারের পদক্ষেপ, স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান এবং অধীররঞ্জনের তোলা প্রশ্নের প্রেক্ষিতে প্রশাসনের বক্তব্যের দিকে। ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি বাস্তব পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা নিয়েই বাড়ছে আলোচনা।

বুদবুদ: গ্যাস সিলিন্ডার চুরির অভিযোগে বড়সড় সাফল্য পেল বুদবুদ থানার পুলিশ। এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি মোট ২৪টি গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুদবুদের চাকতেঁতুল এলাকার একটি গ্যাস এজেন্সির গোডাউন থেকে গত ষষ্ঠীর দিন ১২টি সিলিন্ডার চুরি হওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে প্রথমে মানিক বাউড়িকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গলসির ইরকোনা এলাকা থেকে সমীর ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয় ১২টি সিলিন্ডার। এরপর তদন্তের সূত্র ধরে বুদবুদের চাকতেঁতুল এলাকা থেকে সঞ্জয় লোহার ও মিলন ধীবরকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের সূত্রে একটি গোপন ডেরার সন্ধান মেলে। সেখান থেকে আরও ১২টি সিলিন্ডার উদ্ধার করা হয়। ধৃত চারজন হলেন মানিক বাউড়ি, সমীর ঘোষ, সঞ্জয় লোহার ও মিলন ধীবর। অভিযুক্তদের আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। প্রাথমিক অভিযোগে ১২টি সিলিন্ডার চুরির কথা জানানো হলেও মোট ২৪টি সিলিন্ডার উদ্ধার হওয়ায় সেগুলির উৎস খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনার পিছনে কোনও চক্র রয়েছে কি না, চুরি করা সিলিন্ডার বিক্রির পরিকল্পনা ছিল কি না এবং আরও কেউ জড়িত কি না, তা জানতে তদন্ত চলছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: টলিউডের মাস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে এক ছাদের তলায় হাজির বাংলা বিনোদন জগতের একাধিক পরিচিত মুখ। সুপারস্টার জিৎ, অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা, পরিচালক সৃজিত মুখার্জি, অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা সেন ও অর্পিতা-সহ আরও অনেকের উপস্থিতি ঘিরে তৈরি হয়েছে বিশেষ আগ্রহ। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে একের পর এক সফল ছবিতে অভিনয় করে বাংলা চলচ্চিত্র জগতে নিজের স্বতন্ত্র পরিচিতি তৈরি করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বাড়িতে টলিউডের এত পরিচিত মুখের সমাগম স্বাভাবিকভাবেই বিনোদনপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। বাংলা সিনেমার দর্শকদের কাছে প্রসেনজিৎ ও জিৎ দু’জনেই অত্যন্ত জনপ্রিয়। অন্যদিকে, অঙ্কুশ হাজরা তাঁর অভিনয় ও পর্দায় উপস্থিতির জন্য পরিচিত। পরিচালক সৃজিত মুখার্জিও বাংলা চলচ্চিত্রে নিজের স্বতন্ত্র কাজের মাধ্যমে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন। ঐন্দ্রিলা সেন ও অর্পিতার উপস্থিতি এই তারকাসমাগমে বাড়তি আকর্ষণ যোগ করেছে। তবে প্রসেনজিতের বাড়িতে এই জমায়েতের পিছনে ঠিক কী উপলক্ষ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এটি কোনও ব্যক্তিগত আড্ডা, বিশেষ অনুষ্ঠান, নাকি ইন্ডাস্ট্রির সদস্যদের একসঙ্গে সময় কাটানোর মুহূর্ত, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। একইভাবে, এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে নতুন কোনও ছবির পরিকল্পনা বা যৌথ কাজের আলোচনা হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তাই তারকাদের একসঙ্গে উপস্থিতি ঘিরে কৌতূহল তৈরি হলেও কোনও নতুন প্রজেক্টের সম্ভাবনা নিয়ে এখনই সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না। টলিউডের জনপ্রিয় তারকাদের এমন মিলনমেলা অনুরাগীদের কাছে বরাবরই আকর্ষণীয়। এখন সকলের নজর, এই সাক্ষাতের আসল কারণ এবং তারকাদের তরফে কোনও ছবি বা বিশেষ বার্তা সামনে আসে কি না, সেদিকেই।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: হাসপাতালের ভয় ও উদ্বেগ কাটিয়ে শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে অভিনব উদ্যোগ নিল ‘ডিস্ট্রিক্ট গ্র্যান্ড লজ অফ বেঙ্গল’। তাদের ‘টেডিস ফর লাভিং কেয়ার’ (TLC) কর্মসূচির মাধ্যমে শিশু রোগীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে আদুরে টেডি বিয়ার। চিকিৎসার কঠিন সময়ে ছোট্ট উপহারের মাধ্যমে শিশুদের মানসিক স্বস্তি দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সম্প্রতি কলকাতার ফ্রিম্যাসনস হলে এই কর্মসূচিকে সমর্থন জানাতে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ শরদ্বত মুখোপাধ্যায়। শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগকে তিনি হৃদয়স্পর্শী বলে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, শিশুদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক স্বস্তির দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। হাসপাতালের অপরিচিত পরিবেশ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং চিকিৎসার বিভিন্ন ধাপ অনেক সময় শিশুদের মনে ভয় তৈরি করে। এমন পরিস্থিতিতে একটি নরম খেলনা তাদের মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে দিতে এবং সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। টেডি বিয়ার শিশুর কাছে সঙ্গী হয়ে উঠতে পারে, যা কঠিন সময়ে তার মনে নিরাপত্তা ও আনন্দের অনুভূতি তৈরি করতে সাহায্য করে। চিকিৎসার সময় শিশুদের উদ্বেগ কমাতে খেলনা, গল্প বা গান ব্যবহারের মতো পদ্ধতি সহায়ক হতে পারে। তবে খেলনা কখনও চিকিৎসার বিকল্প নয়; এটি মানসিক স্বস্তি দেওয়ার একটি মাধ্যম। ‘টেডিস ফর লাভিং কেয়ার’ কর্মসূচি শুধু খেলনা বিতরণের উদ্যোগ নয়, বরং শিশুদের প্রতি যত্ন, সহমর্মিতা ও মানবিকতার বার্তা বহন করছে। একটি ছোট্ট উপহার অসুস্থতা দূর করতে না পারলেও শিশুর মুখে হাসি ফোটাতে এবং হাসপাতালের পরিবেশকে কিছুটা আপন করে তুলতে পারে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের চিকিৎসার অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দদায়ক করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গোসাবা বিধানসভা এলাকার গদখালিতে নদী পারাপার করতে গিয়ে প্রতিদিন দুর্ভোগের মুখে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। ভাটার সময় নদীর জল কমে যাওয়া এবং চরের কারণে ঘাটে নৌকা পৌঁছতে সমস্যা হচ্ছে। ফলে কাদা মাড়িয়েই নৌকায় ওঠানামা করতে হচ্ছে যাত্রীদের। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ, মহিলা ও শিশুদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বেশি। রবিবার বিদ্যাধরী নদীতে চরে ধাক্কা লেগে যাত্রীবোঝাই নৌকা উল্টে যাওয়ার ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, নদীর বুকে চর জেগে ওঠায় নৌকা চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদী পারাপার তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ হলেও নিরাপদ ঘাট ও উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে। কাজকর্ম থেকে শুরু করে জরুরি প্রয়োজনে নদী পার হতে গিয়ে প্রতিদিনই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাঁদের। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে গোসাবার বিধায়ক বিকর্ণ নস্করের কাছে আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখে নিরাপদ ঘাট, নৌকা চলাচলের উপযুক্ত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হোক। দক্ষিণ ২৪ পরগনার নদীবেষ্টিত এলাকায় যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম জলপথ। বাসন্তী এলাকার কিছু জায়গায় সেতু নির্মাণে যাতায়াত সহজ হলেও গোসাবার বহু অঞ্চলে এখনও নৌকার উপর নির্ভর করতে হয় মানুষকে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, নদীর চর ও ভাটার সমস্যার স্থায়ী সমাধান কবে হবে? দুর্ঘটনা এড়িয়ে নিরাপদে পারাপারের ব্যবস্থা করতে এবার প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা কী পদক্ষেপ করেন, সেদিকেই তাকিয়ে গদখালির বাসিন্দারা।
নিজস্ব সংবাদদাতা: খাদ্য, পশুখাদ্য, পোলট্রি ফিড ও বিভিন্ন শিল্পে ভুট্টার চাহিদা থাকায় এই ফসল চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। সঠিক পদ্ধতিতে চাষ করতে পারলে ভালো ফলনের পাশাপাশি আয়ের সুযোগও তৈরি হতে পারে। নভেম্বর মাস থেকে বিভিন্ন অঞ্চলে রবি মরশুমের ভুট্টা চাষ শুরু করা যেতে পারে। তবে বপনের উপযুক্ত সময় নির্ভর করবে এলাকার আবহাওয়া, মাটির ধরন ও সেচের ব্যবস্থার উপর।
ভুট্টা চাষে ভালো ফলনের জন্য প্রথমেই জলনিকাশি ব্যবস্থা ভালো এমন জমি নির্বাচন করতে হবে। এরপর স্থানীয় পরিবেশের উপযোগী উন্নত মানের বীজ বেছে নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে বপন করা জরুরি। মাটির উর্বরতা অনুযায়ী সার প্রয়োগ, প্রয়োজনমতো সেচ এবং নিয়মিত আগাছা নিয়ন্ত্রণও গুরুত্বপূর্ণ। গাছের বৃদ্ধি, ফুল আসা ও দানা তৈরির সময় জলের ঘাটতি হলে ফলন কমতে পারে। পাশাপাশি রোগপোকার আক্রমণ দেখা দিলে কৃষি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে বেশি ফলন হলেই লাভ নিশ্চিত নয়। বীজ, সার, সেচ, শ্রমিক, ফসল সংগ্রহ ও পরিবহণের খরচের পাশাপাশি বাজারদরও হিসাব করা দরকার। ফসল কাটার পর ভুট্টা ভালোভাবে শুকিয়ে সংরক্ষণ করাও গুরুত্বপূর্ণ, যাতে গুণমান নষ্ট না হয়। তাই নভেম্বর থেকে ভুট্টা চাষের পরিকল্পনা করলে আগেভাগেই জমি প্রস্তুত, বীজ সংগ্রহ এবং বিক্রির বাজার সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া উচিত। স্থানীয় কৃষি দফতরের পরামর্শ মেনে চাষ করলে উৎপাদনের ঝুঁকি কমিয়ে ভালো ফলনের সম্ভাবনা বাড়ানো যেতে পারে।
নিজস্ব সংবাদদাতা: সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ইন্টার্নদের ‘ডিউটি বিক্রি’র অভিযোগে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কাছে রিপোর্ট তলবের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ, কলকাতা ও জেলার কয়েকটি মেডিক্যাল কলেজে এই চক্র সক্রিয়। আগামী নভেম্বর থেকে জুনিয়র চিকিৎসকদের বায়োমেট্রিক হাজিরাও চালু হতে চলেছে। অন্যদিকে, চোরবাগান কাণ্ডে আহতদের বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর নিয়ে সরকার ও জুনিয়র চিকিৎসকদের মধ্যে বিতর্ক অব্যাহত।

নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গোসাবা বিধানসভা এলাকার গদখালিতে নদী পারাপার করতে গিয়ে প্রতিদিন দুর্ভোগের মুখে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। ভাটার সময় নদীর জল কমে যাওয়া এবং চরের কারণে ঘাটে নৌকা পৌঁছতে সমস্যা হচ্ছে। ফলে কাদা মাড়িয়েই নৌকায় ওঠানামা করতে হচ্ছে যাত্রীদের। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ, মহিলা ও শিশুদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বেশি। রবিবার বিদ্যাধরী নদীতে চরে ধাক্কা লেগে যাত্রীবোঝাই নৌকা উল্টে যাওয়ার ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, নদীর বুকে চর জেগে ওঠায় নৌকা চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদী পারাপার তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ হলেও নিরাপদ ঘাট ও উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে। কাজকর্ম থেকে শুরু করে জরুরি প্রয়োজনে নদী পার হতে গিয়ে প্রতিদিনই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাঁদের। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে গোসাবার বিধায়ক বিকর্ণ নস্করের কাছে আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখে নিরাপদ ঘাট, নৌকা চলাচলের উপযুক্ত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হোক। দক্ষিণ ২৪ পরগনার নদীবেষ্টিত এলাকায় যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম জলপথ। বাসন্তী এলাকার কিছু জায়গায় সেতু নির্মাণে যাতায়াত সহজ হলেও গোসাবার বহু অঞ্চলে এখনও নৌকার উপর নির্ভর করতে হয় মানুষকে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, নদীর চর ও ভাটার সমস্যার স্থায়ী সমাধান কবে হবে? দুর্ঘটনা এড়িয়ে নিরাপদে পারাপারের ব্যবস্থা করতে এবার প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা কী পদক্ষেপ করেন, সেদিকেই তাকিয়ে গদখালির বাসিন্দারা।
নিজস্ব সংবাদদাতা: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা খেল ভারতীয় ক্রিকেট দল। চোটের কারণে আগামী ২৭ অক্টোবর ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত হতে চলা ম্যাচে খেলতে পারবেন না উইকেটকিপার-ব্যাটার ঈশান কিষান। সোমবার, ২৬ অক্টোবর, বিসিসিআই জানিয়েছে, ঈশান ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠলেও এখনও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে নামার মতো ফিটনেস ফিরে পাননি। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাঁকে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি থেকে বাইরে রাখা হয়েছে। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ভারত ইতিমধ্যেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। তৃতীয় ম্যাচে জয় পেলেই আরও দুটি ম্যাচ বাকি থাকতে সিরিজ নিজেদের দখলে নিশ্চিত করতে পারবে সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন দল। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ঈশানের অনুপস্থিতি ভারতের ব্যাটিং পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে। বিসিসিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ডান উরুর ভেতরের দিকের পেশিতে, অর্থাৎ রাইট অ্যাডাক্টর অঞ্চলে চোট পেয়েছিলেন ঈশান। চোটের কারণে দ্বিতীয় ম্যাচেও খেলতে পারেননি তিনি। মেডিক্যাল টিম তাঁর শারীরিক অবস্থার ওপর নজর রাখছে। তবে সম্পূর্ণ ফিট না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে মাঠে ফেরানোর ঝুঁকি নিতে চাইছে না টিম ম্যানেজমেন্ট। ঈশানের অনুপস্থিতিতে তিন নম্বর পজিশন নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে ভারতকে। দ্বিতীয় ম্যাচে তাঁর পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছিলেন তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী। কিন্তু আট বলে মাত্র চার রান করে আউট হন তিনি। প্রথম ম্যাচে তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে তিলক বর্মাও ১১ বলে মাত্র ছয় রান করেছিলেন। ফলে তৃতীয় ম্যাচে এই গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে কাকে খেলানো হবে, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। ঈশানের বিকল্প উইকেটকিপার-ব্যাটার হিসেবে দলের সঙ্গে রয়েছেন কুমার কুশাগ্র। পাশাপাশি সঞ্জু স্যামসনের উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্ব সামলানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে চূড়ান্ত একাদশে কারা সুযোগ পাবেন, তা ম্যাচের আগে জানা যাবে। প্রথম দুই ম্যাচেই চার উইকেটে জয় পেয়েছে ভারত। তৃতীয় ম্যাচে জিতলে সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাবে দল। তবে ঈশানের অনুপস্থিতিতে ব্যাটিংয়ের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং পাওয়ার প্লে থেকে শেষ ওভার পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে রান তোলা ভারতের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
নিজস্ব সংবাদদাতা: বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলবর্তী এলাকায় বৃষ্টি, ঝোড়ো হাওয়া এবং সমুদ্র উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও আকাশ মেঘলা থাকা থেকে শুরু করে হালকা ও মাঝারি বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ, শক্তি এবং সম্ভাব্য স্থলভাগে আছড়ে পড়ার স্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ পূর্বাভাসের দিকে নজর রাখা জরুরি। আবহাওয়ার পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ ও প্রভাবও বদলাতে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দা, কৃষক ও মৎস্যজীবীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি সতর্কবার্তা জারি হলে তা মেনে চলা এবং আবহাওয়ার বুলেটিন না দেখে সমুদ্রে না যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সময় গাছের নিচে বা বিপজ্জনক বৈদ্যুতিক খুঁটির কাছে থাকা এড়িয়ে চলুন।
নিজস্ব সংবাদদাতা: ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হয়ে ফের ক্ষমতায় ফিরলেন বামপন্থী নেতা লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। ডানপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও বলসোনারোকে পরাজিত করে চতুর্থবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার নজির গড়লেন তিনি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ফলাফলকে ঘিরে ব্রাজিলের রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও আলোচনা শুরু হয়েছে। লুলার রাজনৈতিক অবস্থানের কেন্দ্রে রয়েছে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, দারিদ্র্য হ্রাস, সামাজিক সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানোর বিষয়গুলি। অন্যদিকে, বলসোনারো শিবির রক্ষণশীল নীতি ও নিরাপত্তার প্রশ্নে গুরুত্ব দিয়েছে। ফলে এই নির্বাচনে দুই প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিশাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। লুলার জয়কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ রক্ষণশীল শক্তিগুলির জন্য রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন কেউ কেউ। তবে এই ফলাফলের আন্তর্জাতিক প্রভাব নির্ভর করবে ব্রাজিলের নতুন সরকারের নীতি ও কূটনৈতিক সম্পর্কের উপর। দারিদ্র্য মোকাবিলা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং আমাজন অরণ্য সংরক্ষণ নতুন সরকারের সামনে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হতে পারে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।


