ArchiveIssue Home100%

14

2026-10-29 · Issue No. 14
জেলার বার্তা
Issue No. 14
দৈনিক সংবাদপত্র
Vol: 4
Thursday, 29 October 2026
WB-18-0064025
zillarbarta@gmail.com
www.zillarbarta.com
মুল্যঃ৫ টাকা
গঙ্গার ভাঙন রোধ, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান ও সুন্দরবনের বাঁধ সংস্কারে তৎপরতা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: গঙ্গার ভাঙন রোধ, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের বাস্তবায়ন, সুন্দরবনের নদীবাঁধ সংস্কার ও রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় জলশক্তিমন্ত্রী সি. আর. পাটিলের সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের জীবন, জীবিকা, বসতবাড়ি ও কৃষিজমির নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত এই বিষয়গুলি ঘিরে বাড়ছে প্রত্যাশা। দীর্ঘদিন ধরে গঙ্গার তীরবর্তী এলাকায় নদীভাঙনে বহু পরিবার ঘরবাড়ি ও জমি হারানোর আশঙ্কায় ভোগেন। তাই নদীভাঙন রোধে বিজ্ঞানসম্মত পরিকল্পনা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ, নদীতীর সংরক্ষণ ও নিয়মিত নজরদারি জরুরি। অন্যদিকে, ঘাটাল ও আশপাশের এলাকায় বর্ষাকালে বন্যা ও জল জমার সমস্যা মানুষের জীবনযাত্রা, কৃষিকাজ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ব্যাহত করে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কার্যকর বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে সুন্দরবনের দুর্বল নদীবাঁধের স্থায়ী সংস্কারও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। দুর্যোগে বাঁধ ভেঙে গেলে বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ এবং কেন্দ্র-রাজ্যের সমন্বয় প্রয়োজন। বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলি কত দ্রুত বাস্তব প্রকল্পে রূপ নেয় এবং তার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছয়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যবাসীর।

সমুদ্রে ইলিশের টান, বদলাচ্ছে মাছের গতিপথ

নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বর্ষার মরশুমে সমুদ্রে গিয়েও প্রত্যাশিত ইলিশ না মেলায় উদ্বেগ বাড়ছে মৎস্যজীবীদের। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলবর্তী এলাকার বহু মানুষের জীবিকা ইলিশ ধরার উপর নির্ভরশীল। কিন্তু মাছ কম পাওয়ায় ট্রলারের জ্বালানি, বরফ ও শ্রমিকদের খরচ তুলে আনাও কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রের তাপমাত্রা, নদীর প্রবাহ, জলের লবণাক্ততা ও বৃষ্টিপাতের পরিবর্তন ইলিশের চলাচল এবং প্রজননে প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি অতিরিক্ত মাছ ধরা, নদীদূষণ ও নাব্যতা কমে যাওয়ার মতো কারণও ইলিশের জোগানে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে মাছ কম পাওয়ার জন্য শুধু জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করা যায় না। দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা ও মাছ ধরার তথ্য বিশ্লেষণ করেই গতিপথ বদলের বিষয়টি নিশ্চিত করা সম্ভব।

টুকরো খবর
বাসন্তীতে নদীবাঁধে ৩৫০ ফুট ধস, আতঙ্কে গ্রামবাসী! ভরা কটালে প্লাবনের আশঙ্কা

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাসন্তী: পূর্ণিমার ভরা কটালের জেরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর রাধাবল্লভপুরে হোগল নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেয়ে নদীবাঁধের প্রায় ৩৫০ ফুট অংশে ধস নেমেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই ঘটনা সামনে আসতেই আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। নদীর জল লোকালয়ে ঢুকে পড়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন গ্রামবাসীদের একাংশ ইতিমধ্যেই বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। স্থানীয়দের আশঙ্কা, নদীতে জলের চাপ আরও বাড়লে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের অংশ ভেঙে গ্রামে জল ঢুকে পড়তে পারে। এর ফলে ঘরবাড়ি, চাষের জমি ও অন্যান্য সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। সময়মতো বাঁধ মেরামত না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা। ঘটনার খবর পেয়ে বাসন্তী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতির উপর নজরদারি শুরু করেছে। পাশাপাশি সেচ দফতরের কর্মীরাও সেখানে পৌঁছেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতের জন্য তোড়জোড় শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দ্রুত ভাঙন রোধ করে বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। গ্রামবাসীদের দাবি, আপৎকালীন মেরামতির পাশাপাশি বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ স্থায়ীভাবে সংস্কার করতে হবে। একই সঙ্গে নদীবাঁধের অন্যান্য দুর্বল অংশও পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

পুজোর পাস-কাণ্ডে গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, তদন্তে ইডি

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: দুর্গাপুজোর পাস বিক্রিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা চন্দননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেন। বুধবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। পরে তাঁকে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়।

অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো এবং বিশেষ প্রবেশের পাস বিক্রির মাধ্যমে বিপুল টাকা তোলা হয়েছিল। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের সঙ্গে যুক্ত ‘মাস আর্ট’ সংস্থার ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইডির প্রাথমিক অনুমান, আর্থিক অনিয়মের পরিমাণ ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকা হতে পারে। তবে অভিযোগগুলি এখনও আদালতে প্রমাণিত নয়। এর আগে ইন্দ্রনীলকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ এবং তাঁর বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। মামলায় আগাম জামিনের আবেদনও করেছিলেন তিনি। গ্রেফতারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। এখন তদন্তে আর কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর।

সম্পাদকীয়
রাজ্যে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে জোড়া এনকাউন্টার, পুলিশের পাশে মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ও মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে পরপর দুটি পুলিশি এনকাউন্টারে দুই অভিযুক্তের মৃত্যুকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। পুলিশের দাবি, অপরাধের পুনর্নির্মাণের সময় দুই অভিযুক্তই আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে তাঁদের মৃত্যু হয়। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের পাশে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিলে পুলিশ নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারে না। বিশেষ করে মাদক দমন ও মহিলাদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পুলিশকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের বার্তা দেন তিনি। অন্যদিকে, এনকাউন্টারের পরিস্থিতি ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী নেতারা। কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বক্তব্য, অপরাধের সত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব আদালতের। অভিযুক্তদের মৃত্যু হলে তদন্তে আরও তথ্য পাওয়ার সুযোগও কমতে পারে। অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য পুলিশের আত্মরক্ষার দাবিকে সমর্থন করেছেন। পরপর দুটি ঘটনায় পুলিশের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও অস্ত্রের সুরক্ষা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে পুলিশের দাবি কতটা সঠিক, তা নির্ধারণে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, ফরেনসিক প্রমাণ ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করা জরুরি। এখন নজর তদন্তের ফলাফলের দিকে।

পুরুলিয়া মেডিক্যাল কলেজে আবর্জনার স্তূপ, ক্ষুব্ধ সাংসদ জ্যোতির্ময় মাহাতো! স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ফোন, শো-কজ় ৮ আধিকারিককে

নিজস্ব সংবাদদাতা: পুরুলিয়ার দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিংহ মাহাতো। বিজয়া দশমীর রাতে এক পরিচিতের বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে তিনি চত্বরজুড়ে আবর্জনা ও নোংরা জল জমে থাকতে দেখেন। এরপর হাসপাতাল থেকেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে ফোন করে পরিস্থিতির কথা জানান। হাসপাতালের সুপারকে কালিম্পংয়ে বদলি করার সুপারিশও করেন তিনি। দ্রুত পরিষ্কার না হলে নিজেই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নামার হুঁশিয়ারি দেন সাংসদ। তাঁর অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে সরকারকে বদনাম করার চেষ্টা করছেন। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীন প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি। ঘটনার পর নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্য দফতর। হাসপাতালের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ-সহ ছয় সহকারী সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়। ছয় ঘণ্টার মধ্যে অপরিচ্ছন্নতার কারণ জানাতে এবং হাসপাতাল পরিষ্কার করে ছবি পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতা নেপাল মাহাতো হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়নের দিকে নজর দেওয়ার দাবি তুলেছেন।

২।
বৃহস্পতিবার, 29 অক্টোবর 2026
দুর্যোগের আগে প্রশাসনিক তৎপরতা, স্থায়ী সুরক্ষা কোথায়?

বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা দেখা দিলেই উপকূলবর্তী এলাকায় প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ে। ঘূর্ণিঝড় অর্ণবকে ঘিরেও সতর্কতা, উদ্ধার ও নিরাপদ আশ্রয়ের প্রস্তুতি জরুরি। তবে প্রশ্ন, এই উদ্যোগ কি শুধু দুর্যোগের আগেই সীমাবদ্ধ থাকবে? দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ উপকূলবর্তী এলাকার মানুষ বারবার ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, অতিবৃষ্টি ও নদীভাঙনের মুখে ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাঁদের ঘরবাড়ি ও জীবিকা বিপন্ন হয়। তাই সাময়িক ত্রাণের পাশাপাশি প্রয়োজন স্থায়ী সুরক্ষার ব্যবস্থা। মজবুত নদীবাঁধ, নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র, দুর্বল বাড়ির উন্নয়ন, উন্নত নিকাশি এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলির পুনর্বাসনে ধারাবাহিক উদ্যোগ জরুরি। পাশাপাশি দুর্যোগের পর জীবিকা পুনরুদ্ধার ও সরকারি প্রকল্পের স্বচ্ছ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। প্রশাসনের সাফল্য শুধু বিপদের সময় তৎপরতায় নয়, সারা বছর মানুষের নিরাপত্তায় কতটা কাজ হচ্ছে, তার ভিত্তিতেও বিচার্য। উপকূলবাসীর প্রত্যাশা, প্রতিশ্রুতির বদলে বাস্তব পদক্ষেপ এবং সাময়িক স্বস্তির পরিবর্তে স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক। কারণ, তাঁদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হল নিরাপদে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা।

হাওড়ার বাঁকড়ায় বাড়ছে ডেঙ্গি, ১২ দিনে আক্রান্ত ৪৭! হাসপাতালে পঞ্চায়েত প্রধানও

নিজস্ব সংবাদদাতা: হাওড়ার ডোমজুড়ের বাঁকড়া এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়তে থাকায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে। ১৪ থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে বাঁকড়া-১, ২ ও ৩ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় মোট ৪৭ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন বাঁকড়া-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শেখ মনিরুল ইসলাম। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে বাঁকড়া-১ পঞ্চায়েত এলাকায় ২৯ জন এবং বাঁকড়া-২ ও ৩ পঞ্চায়েত এলাকায় ১৮ জনের সন্ধান মিলেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দফতর, জেলা পরিষদ ও স্থানীয় পঞ্চায়েতের তরফে ভেক্টর কন্ট্রোল দল পাঠানো হয়েছে। মশার লার্ভা নষ্ট করতে তেল স্প্রে, আবর্জনা পরিষ্কার এবং বাড়ি বাড়ি সচেতনতা প্রচার চলছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে ডেঙ্গি সংক্রমণ বৃদ্ধি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতরও শুরু হয়েছে। বিজেপির তরফে মশারি বিতরণ ও ব্লিচিং পাউডার ছড়ানোর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক তাপস মাইতি জানিয়েছেন, নিকাশি ও আবর্জনা পরিষ্কারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।

ভাতারে গাড়ির ধাক্কায় বাইক দুর্ঘটনা, প্রি-ওয়েডিং শুটে যাওয়ার পথে আহত যুগল

পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে গাড়ির ধাক্কায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ল বাইক। প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের জন্য যাচ্ছিলেন এক যুগল। দুর্ঘটনায় তাঁরা আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

৩।
বৃহস্পতিবার, 29 অক্টোবর 2026
নভেম্বরে হচ্ছে না কলকাতা-হাওড়ার পুরভোট, ডিসেম্বরেই নির্বাচনের প্রস্তুতি কমিশনের

নিজস্ব সংবাদদাতা: নভেম্বর মাসে কলকাতা ও হাওড়া পুরসভার নির্বাচন হচ্ছে না বলেই ইঙ্গিত মিলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোটগ্রহণ এবং ডিসেম্বরের গোড়ায় গণনার পরিকল্পনা নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছিল কমিশন। কিন্তু রাজ্য সরকারের তরফে ভোটের দিনক্ষণ নিয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তাব না আসায় সেই পরিকল্পনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও পুলিশের ডিজির সঙ্গে বৈঠক হলেও নির্বাচনের নির্দিষ্ট দিন স্থির হয়নি। আইন অনুযায়ী, ভোটের নির্ঘণ্ট সংক্রান্ত প্রাথমিক সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারকেই নিতে হয়; পরে কমিশনের সম্মতি প্রয়োজন। অন্যদিকে, ভোটার তালিকা ও ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস ঘিরেও জটিলতা রয়েছে। কলকাতা ও হাওড়ায় ভোটারদের নাম বাদ পড়ার অভিযোগ তুলে বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা বুধবার নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি জমা দেন। তাঁদের দাবি, বাদ পড়া ভোটারদের নামের বিষয়ে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া হোক। কমিশন জানিয়েছে, ১২ নভেম্বর নতুন ভোটার তালিকা হাতে পাওয়ার কথা। সেই তালিকা এবং অন্যান্য প্রস্তুতি বিবেচনা করে ডিসেম্বর মাসে ভোটের আয়োজন হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কলকাতা ও হাওড়া পুরসভার নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়নি

হলুদ মেশানো জল পানের ৭টি সম্ভাব্য উপকারিতা, কী বলছেন পুষ্টিবিদ?

নিজস্ব সংবাদদাতা, স্বাস্থ্য ডেস্ক: ভারতীয় রান্নাঘরে হলুদের ব্যবহার বহু প্রাচীন। খাবারের স্বাদ ও রং বাড়ানোর পাশাপাশি হলুদের ঔষধি গুণ নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। বর্তমানে অনেকেই সকালে হলুদ মেশানো জল পান করছেন। পুষ্টিবিজ্ঞানের গবেষণায় হলুদের অন্যতম সক্রিয় উপাদান কারকিউমিনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও প্রদাহ-নিয়ন্ত্রণকারী বৈশিষ্ট্যের ইঙ্গিত মিলেছে। তবে সাধারণ হলুদ জলের উপকারিতা নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন। হলুদ জল পানের সাতটি সম্ভাব্য উপকারিতা হল—শরীরের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস মোকাবিলায় ভূমিকা, হজমের অস্বস্তি কমানোর সম্ভাবনা, জয়েন্টের ব্যথা নিয়ে গবেষণায় সম্ভাব্য ইতিবাচক প্রভাব, হৃদ্‌স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু সূচকে প্রভাব, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য ভূমিকা এবং পর্যাপ্ত জল পানের অভ্যাস গড়ে তোলা। তবে এই উপকারিতাগুলির সবকটিই সাধারণ হলুদ জল পান করলে নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়, এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। বিশেষ করে কারকিউমিন নিয়ে অনেক গবেষণায় নির্দিষ্ট মাত্রার নির্যাস ব্যবহার করা হয়েছে, সাধারণ হলুদ জল নয়। বাড়িতে এক কাপ হালকা গরম জলে এক চিমটি বা প্রায় এক-চতুর্থাংশ চা-চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। সকালে খালি পেটে পান করতেই হবে, এমন কোনও বৈজ্ঞানিক নিয়ম নেই। তবে পিত্তথলির সমস্যা, অ্যাসিডিটি বা লিভারের অসুস্থতা থাকলে সতর্ক থাকা জরুরি। রক্ত পাতলা করার ওষুধ গ্রহণকারীদের উচ্চমাত্রার হলুদ সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। গর্ভাবস্থাতেও সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে, হলুদ জল কোনও রোগের ওষুধ বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। সুস্থ থাকতে সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত জল, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের উপরই গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

৫ নভেম্বর শিল্পনীতির ঘোষণা, কৃষকদের অ্যাকাউন্টেও আর্থিক সহায়তা

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: আগামী ৫ নভেম্বর রাজ্যের নতুন শিল্পনীতি প্রকাশের পাশাপাশি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর কর্মসূচি শুরু করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন শিল্পনীতির খসড়ায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণার পর শিল্পমহল ও কৃষকদের মধ্যে এই দুই উদ্যোগ নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। নবান্নে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশের অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা। অন্যদিকে, ‘মুখ্যমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি’ প্রকল্পের আওতায় যোগ্য কৃষকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কর্মসূচির সূচনা হওয়ার কথা হুগলির পুরশুড়ায়। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রকল্পে প্রায় ৪৮ লক্ষ বা তার বেশি কৃষক উপকৃত হতে পারেন। কৃষকদের জন্য মোট ৬,০০০ টাকা সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও উঠে এসেছে। তবে চূড়ান্ত উপভোক্তার সংখ্যা, কিস্তির পরিমাণ ও অর্থ প্রদানের নিয়ম সরকারি নির্দেশিকা থেকেই নিশ্চিত হবে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে ‘মুখ্যমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি’ করার প্রস্তাবেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একদিকে শিল্পে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অন্যদিকে কৃষকদের আর্থিক সহায়তা—৫ নভেম্বরের এই দুই কর্মসূচির বাস্তবায়নের দিকেই এখন নজর।

সমুদ্রে গিয়েও মিলছে না ইলিশ! জলবায়ু পরিবর্তনে কি বদলাচ্ছে মাছের গতিপথ?

নিজস্ব সংবাদদাতা: ইলিশ বাঙালির আবেগ হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সমুদ্রে গিয়েও প্রত্যাশিত ইলিশ না পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে মৎস্যজীবীদের মধ্যে। অনিয়মিত বাতাস, উত্তাল সমুদ্র এবং আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা মাছ ধরার কাজে প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে কাকদ্বীপ, নামখানা, রায়দিঘি ও পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলবর্তী এলাকার বহু মানুষের জীবিকা ইলিশের মরশুমের উপর নির্ভরশীল। ট্রলার নিয়ে সমুদ্রে পাড়ি দিতে জ্বালানি, বরফ, খাবার ও জালের পিছনে বিপুল খরচ হয়। পর্যাপ্ত মাছ না মিললে লোকসানের মুখে পড়তে হয় তাঁদের। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইলিশের বিচরণ ও প্রজননের সঙ্গে জলের তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, নদীর জলপ্রবাহ এবং পরিবেশের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এসব উপাদানে পরিবর্তন এলে মাছের চলাচল ও প্রজননে প্রভাব পড়তে পারে। তবে ইলিশের প্রাপ্যতা কমার একমাত্র কারণ জলবায়ু পরিবর্তন নয়; অতিরিক্ত মাছ ধরা, দূষণ, পলি জমা এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধাও এর জন্য দায়ী হতে পারে। ফলে ইলিশের জোগান ও মৎস্যজীবীদের জীবিকা রক্ষায় পরিবেশ সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রিত মাছ ধরা এবং দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা জরুরি।

৪।
বৃহস্পতিবার, 29 অক্টোবর 2026
জনসুরক্ষায় কোনও আপস নয়, জামবাদে ভূমিধসের ঘটনাস্থলে বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি

নিজস্ব সংবাদদাতা, জামবাদ: জামবাদে ভূমিধসের খবর সামনে আসতেই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে পৌঁছলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। এলাকার পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শনের পাশাপাশি তিনি কথা বলেন ইসিএল (ECL) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার উপর জোর দেন বিধায়ক। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, মানুষের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষার প্রশ্নে কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। জামবাদে ভূমিধসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলি চিহ্নিত করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তাঁর মতে, উন্নয়নমূলক কাজের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। কোনও বিপদের আশঙ্কা দেখা দিলে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত সক্রিয় হওয়া জরুরি। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় কোথায় কী ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় কী পদক্ষেপ করা প্রয়োজন, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। ভূমিধসের মতো ঘটনা আশপাশের বাড়িঘর, যাতায়াতের পথ এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে ঝুঁকির কারণ চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। ইসিএল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বিধায়ক দ্রুত পরিস্থিতি মোকাবিলার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার উপর গুরুত্ব দেন। তাঁর বক্তব্য, শুধু ঘটনার পর পরিস্থিতি সামাল দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। কেন এ ধরনের ঘটনা ঘটছে, কোথায় বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে এবং কীভাবে সেই ঝুঁকি কমানো সম্ভব, তা খতিয়ে দেখা দরকার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত নজরদারি চালানোর পাশাপাশি আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা যায়। জিতেন্দ্র তিওয়ারি স্পষ্ট জানিয়েছেন, স্থানীয় মানুষের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ইসিএল কর্তৃপক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনওরকম গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপত্তা, পরিস্থিতির নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উপর জোর দিয়েছেন বিধায়ক। জামবাদে ভূমিধসের ঘটনার পর এখন নজর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। দ্রুত পরিস্থিতি মোকাবিলার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের ঘটনা না ঘটে, তার জন্য কতটা কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়, সেটাই এখন দেখার।

দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, নজর আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতিতে

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: রাতের বৃষ্টির পর আজও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে আবহাওয়ার পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। তবে সব জেলায় সমান বৃষ্টি হবে, এমন নয়। বৃষ্টির জেরে নিচু এলাকায় জল জমা ও যান চলাচলে বিঘ্নের আশঙ্কা থাকলেও তা নিশ্চিত নয়। কৃষকদেরও স্থানীয় পূর্বাভাস অনুযায়ী কাজের পরিকল্পনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক কম। তবে আগামীকাল থেকে দার্জিলিং, কালিম্পং ও উত্তর দিনাজপুরের কিছু এলাকায় বৃষ্টি বাড়তে পারে। নদী ও জলাশয়ের কাছাকাছি এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকা জরুরি। যাতায়াতের আগে আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাস জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে, আজ দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার দিকে নজর রাজ্যবাসীর।

পাকিস্তানকে উড়িয়ে ফাইনালে শ্রীলঙ্কা, বল হাতে মাদুশঙ্কার ৫ উইকেট, ব্যাটে কামিন্দুর ঝড়

নিজস্ব সংবাদদাতা: পাকিস্তানকে আট উইকেটে হারিয়ে একদিনের আন্তর্জাতিক ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠল শ্রীলঙ্কা। মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১১০ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার বাঁহাতি পেসার দিলশান মাদুশঙ্কা দুরন্ত বোলিং করে ৮.৩ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে পাঁচটি উইকেট তুলে নেন। তাঁর কেরিয়ারসেরা বোলিংয়ের সামনে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ কার্যত ভেঙে পড়ে। বাবর আজম সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন। হাসান নওয়াজের সংগ্রহ ১৭ রান। জবাবে ১১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে দুটি উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি শ্রীলঙ্কা। কামিন্দু মেন্ডিস অপরাজিত ৬২ রান করেন মাত্র ৬০ বলে, তাঁর ইনিংসে ছিল আটটি চার ও দুটি ছক্কা। পবন রত্নায়েকে অপরাজিত ২৩ রান করে তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দেন। মাত্র ১৮.১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ১১৪ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কা। এই জয়ের ফলে ফাইনালে নিজেদের জায়গা পাকা করল তারা। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কার জয়ে টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠার দৌড় থেকে ছিটকে গেল ইংল্যান্ড। পাকিস্তান আগেই ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছিল।

জেলার বার্তা,ডায়মন্ড হারবার, দক্ষিন ২৪ পরগণা, পিন ৭৪৩৩৩১, জেলার বার্তা নেটওয়ার্ক প্রিন্ট হাউস, এডিটরঃ বরুন কুমার পাল, ফাউন্ডারঃ শান্তনু পুরকাইত ফোনঃ 7478809472, Email: zillarbarta@gmail.com
সেইল-ইস্কোতে সতর্কতা সচেতনতা সপ্তাহ পালন

বার্নপুর: সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের নির্দেশে সেইল-ইস্কো স্টিল প্ল্যান্টে পালিত হচ্ছে সতর্কতা সচেতনতা সপ্তাহ ২০২৬।ইস্কো স্টিল প্ল্যান্টের ভিজিল্যান্স বিভাগের আধিকারিক সন্তোষ জানান, এটি ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, চলবে ১৭ আগস্ট থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত। আয়রন ম্যান অফ ইন্ডিয়া সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মদিন উপলক্ষে ২৬ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত সপ্তাহটিকে সতর্কতা সচেতনতা সপ্তাহ হিসেবে পালন করা হয়। ২৬ অক্টোবর সততা শপথের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়।তারই অঙ্গ হিসেবে আজ এথিক্স ক্লাব ও ভিজিল্যান্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে বার্নপুর বয়েজ হাই স্কুল ও বার্নপুর গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে একটি ওয়াকাথন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সততা, দায়িত্ববোধ বজায় রাখতেই এই সচেতনতা কর্মসূচি বলে জানান আধিকারিক।