নিজস্ব সংবাদদাতা, হীরাপুর: ভক্তি ও ধর্মীয় আবহে হীরাপুরের শশাঙ্ক কালী মন্দিরে শুরু হল শ্রী চণ্ডী মহাযজ্ঞ। শুক্রবার সকালে দামোদর নদ থেকে জল সংগ্রহ করে মন্দির থেকে যজ্ঞস্থল পর্যন্ত বর্ণাঢ্য কলস যাত্রার আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন হাজারো ভক্ত ও স্থানীয় বাসিন্দা। আয়োজকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই মহাযজ্ঞ চলবে আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। মুখ্য আচার্য অযোধ্যার হনুমানগড়ির বাবা সীতারাম দাস। তাঁর দাবি, হিমালয়, হরিদ্বার, অযোধ্যা, কাশী, মথুরা ও বৃন্দাবন-সহ বিভিন্ন স্থান থেকে সাধু-সন্তরা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। এটি তাঁর জীবনের ১৬১তম যজ্ঞ। মহাযজ্ঞ উপলক্ষে প্রতিদিন পুজো-পাঠ, প্রবচন, রামলীলা, রাসলীলা, অখণ্ড নামকীর্তন, ভান্ডারা ও সন্ধ্যায় গঙ্গা আরতির আয়োজন থাকছে। এদিন মুখ্য আচার্য স্থানীয় বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালের উন্নয়নমূলক কাজেরও প্রশংসা করেন। সন্ধ্যার গঙ্গা আরতিতে অগ্নিমিত্রা পালের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। মহাযজ্ঞকে কেন্দ্র করে হীরাপুরে তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ।



নিজস্ব সংবাদদাতা, নয়াদিল্লি: প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) বাতিলের দাবিতে সরব বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া ব্লক’। এই দাবিকে সামনে রেখে দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে হতে চলেছে বিরাট মহাসমাবেশ। তারই প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে ময়দানে উপস্থিত হন সিপিআই(এম)-এর সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব এবং ছাত্র-যুব সংগঠনের নেতারা। সমাবেশের মঞ্চ নির্মাণ, সাংগঠনিক প্রস্তুতি এবং কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত পরিদর্শন করেন তাঁরা। বিরোধীদের অভিযোগ, SIR-এর ফলে প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার দাবিতে এই আন্দোলন। এবার রামলীলা ময়দানের সমাবেশ থেকে বিরোধীরা কী বার্তা দেন এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখা কী হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
আসানসোলের মহুয়াডাঙ্গা এলাকায় রেলের ক্ষতিগ্রস্ত কোয়ার্টার খালি করার নির্দেশ দিয়ে শুক্রবার মাইকিং করল RPF। বাড়ি বাড়ি গিয়েও বাসিন্দাদের অবিলম্বে কোয়ার্টার ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। RPF জানিয়েছে, এটি শেষ সতর্কবার্তা। এরপরও কোয়ার্টার খালি না করলে রেল কর্তৃপক্ষ ও RPF জোরপূর্বক উচ্ছেদের পদক্ষেপ নেবে। রেলের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলি থেকে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
বাঁকুড়ার কেঠারডাঙা রেলগেটের কাছে রেললাইনের ধার থেকে রাজ্য পুলিশের ইন্সপেক্টর জয়ন্ত পাল (৪১)-এর মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি বাঁকুড়া পুলিশ লাইনে ডিআইবি ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় আরণ্যক এক্সপ্রেসের ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।
২৯০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কোহিনূর পাওয়ার প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে কলকাতা সহ রাজ্যের ৭ জায়গায় তল্লাশি চালাল ইডি। শুক্রবার ভোর থেকে দুর্গাপুরের বিধাননগরে শিল্পপতি সোনু আগরওয়ালের বাড়ি সহ সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ঠিকানায় এই অভিযান চলে।ইডি সূত্রে অভিযোগ, ঝাড়খণ্ডে ৬৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া ঋণের টাকা প্রকল্পে না লাগিয়ে অন্য গ্রুপ কোম্পানিতে সরানো হয় এবং ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হয়। এই ২৯০ কোটি টাকার প্রতারণার তদন্তেই এই হানা।
নিজস্ব সংবাদদাতা, আন্তর্জাতিক: যুদ্ধ ও গণহত্যার বিরুদ্ধে একজোট হলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বন্দর শ্রমিকরা। ৩০ অক্টোবর ২২টি দেশের ১১৩টি বন্দরে ধর্মঘট ও কর্মবিরতি পালিত হয়। ২৫টিরও বেশি শ্রমিক সংগঠন এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়। ‘ডকওয়ার্কার্স ডু নট ওয়ার্ক ফর ওয়ার’ স্লোগানকে সামনে রেখে আন্দোলনকারীদের দাবি, বাণিজ্যিক বন্দরকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবহণের কাজে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। গাজায় যুদ্ধ এবং সাধারণ মানুষের প্রাণহানির প্রতিবাদও ছিল এই কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য। গ্রিসের পিরেয়াস বন্দরে প্রায় তিন হাজার শ্রমিক কর্মবিরতিতে অংশ নেন। ইতালি, ফ্রান্স, স্পেন, তুরস্ক, মরক্কো-সহ বিভিন্ন দেশের বন্দরেও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। কোথাও সম্পূর্ণ ধর্মঘট, আবার কোথাও নির্দিষ্ট সময়ের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ হয়। ভারতের বন্দর শ্রমিক সংগঠনগুলিও এই আন্দোলনে সমর্থন জানায়। পাশাপাশি সংঘাতপূর্ণ সমুদ্রপথে নাবিকদের নিরাপত্তা, উন্নত কর্মপরিবেশ ও চিকিৎসার ব্যবস্থার দাবিও তোলেন শ্রমিকরা।
নিজস্ব সংবাদদাতা: কলকাতার চোরবাগান দুর্গাপুজো মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় শোকস্তব্ধ পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী। নিহতদের বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তাঁদের দুঃখ-যন্ত্রণা শোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। গত ১৭ অক্টোবর সপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে ভিড়ের চাপে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাণ হারান ১৯ জন। নিহতদের পরিবারের জন্য রাজ্য সরকার ২৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ এবং পরিবারের একজন সদস্যের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার কথা জানিয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের মাধবডিহির বীরপুর গ্রামে টগর বেজ ও তাঁর ছেলে সন্দীপ বেজের পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মা ও ছেলেকে হারানো পরিবারটির হাতে মোট ৫০ লক্ষ টাকার দুটি চেক তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি চাকরির আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়েছে। কোনও গাফিলতি প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। এখন নজর ক্ষতিপূরণ ও কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং তদন্তের রিপোর্টের দিকে।


নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম মেদিনীপুর: ২৫ বছর পর ফের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আলোচনায় ২০০১ সালের ছোট আঙারিয়া কাণ্ড। নতুন করে এই ঘটনার ফাইল খোলার দাবি তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা।২০০১ সালের ৪ জানুয়ারি গড়বেতার ছোট আঙারিয়া গ্রামে সশস্ত্র হামলার অভিযোগ ওঠে তৎকালীন শাসকদল সিপিএমের বিরুদ্ধে। ঘটনায় একাধিক মানুষের মৃত্যুর অভিযোগ সামনে আসে। পরবর্তীকালে এই ঘটনা ‘ছোট আঙারিয়া গণহত্যা’ নামে পরিচিতি পায় এবং বাম আমলে রাজনৈতিক হিংসার অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠে। তৎকালীন বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন এই ঘটনাকে সামনে রেখে আন্দোলন চালিয়েছিল। ২০১১ সালে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরও ঘটনার তদন্ত ও বিচার নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়ে গিয়েছে। এবার বিজেপির তরফে বিষয়টি নতুন করে সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে নতুন তদন্তের দাবি উঠলেও কারও বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করবে তদন্ত ও আদালত। এখন প্রশ্ন, শুভেন্দুর দাবির পর সত্যিই কি খুলবে ছোট আঙারিয়া কাণ্ডের ফাইল, নাকি বিতর্ক সীমাবদ্ধ থাকবে রাজনৈতিক তরজায়?
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্বাস্থ্যসাথী ও ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর প্রশ্ন, সাধারণ মানুষের করের টাকা কোথায় গেল এবং সরকারি প্রকল্পের অর্থের প্রকৃত হিসাব কে দেবে?স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকা যাচাই করতে গিয়ে ৩০ লক্ষেরও বেশি মানুষের তথ্যের হদিশ না পাওয়ার খবর ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিভিন্ন প্রতিবেদনে সম্ভাব্য ব্যয় নিয়ে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার প্রশ্ন উঠলেও, এই অঙ্ককে প্রমাণিত দুর্নীতির পরিমাণ বলা যাচ্ছে না। অন্যদিকে, প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ফরেনসিক অডিটের উদ্যোগের কথাও সামনে এসেছে। অধীরের কটাক্ষ, রাজনৈতিক দলবদল করলেই অতীতের অভিযোগ মুছে যায় না। তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া। এখন প্রশ্ন, সরকারি প্রকল্পের অর্থ কোথায় খরচ হয়েছে এবং প্রকৃত উপভোক্তারা কতটা সুবিধা পেয়েছেন? সেই হিসাব প্রকাশের দাবিতেই জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক বিতর্ক।
পূর্ব বর্ধমানের মানকর রোডে তরুণীকে কটূক্তি ও জোর করে টোটোতে তোলার চেষ্টার অভিযোগ উঠল কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে। বাধা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন তরুণী ও তাঁর বাবা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ পেয়ে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে বুদবুদ থানার পুলিশ চার যুবককে আটক করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভক্তি ও ধর্মীয় আবহে অনুষ্ঠিত হল বড়থল চাষী পট্টির শ্রী শ্রী সর্বজনীন মা শ্মশান কালী মন্দিরের শতচণ্ডী মহাযজ্ঞ ও প্রাণপ্রতিষ্ঠা মহোৎসব। এই পবিত্র অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত শ্রী শ্রী ১০৮ বিরাট শতচণ্ডী মহাযজ্ঞে অংশ নিয়ে মা কালীর চরণে প্রার্থনা জানান মন্ত্রী। সকলের সুস্বাস্থ্য, শান্তি, মঙ্গল ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি। এই মহোৎসবকে কেন্দ্র করে মন্দির চত্বরে ভক্তদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ দেখা যায়। মন্ত্রোচ্চারণ, পুজো-অর্চনা, যজ্ঞ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় মা কালীর প্রাণপ্রতিষ্ঠা। শতচণ্ডী মহাযজ্ঞ হিন্দু ধর্মীয় পরম্পরায় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ভক্তি ও উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়। মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের উপস্থিতি এবং তাঁর প্রার্থনার মধ্য দিয়ে সকলের মঙ্গল কামনায় শেষ হয় এই বিশেষ ধর্মীয় আয়োজন।
পানাগড় গ্রামে ঘরের ভেতর থেকে এক ব্যক্তির অস্বাভাবিক মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য। মৃতের নাম সঞ্জয় রুইদাস (৪০)। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পেশায় গাড়ি চালক সঞ্জয় বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে ঘরে ঘুমোতে যান। শুক্রবার সকালে বারবার ডাকাডাকি করেও দরজা না খোলায় জানলা দিয়ে উঁকি মেরে ভেতরে তাঁর নিথর দেহ দেখতে পান পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে কাঁকসা থানার পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কাঁকসা থানার পুলিশ।

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: কলকাতা বিমানবন্দরে বিজেপির ট্রেড ইউনিয়ন সেলের উদ্যোগে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। তাঁদের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্ব ও প্রতিনিধিরা।দলের শ্রমিক সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে এই কর্মসূচিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, সামাজিক সুরক্ষা ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ট্রেড ইউনিয়নের ভূমিকা বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একসঙ্গে উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে অনুষ্ঠানে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং আগামী দিনে শ্রমিক সংগঠনকে কেন্দ্র করে কী ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হবে, তা এখনও বিস্তারিতভাবে জানা যায়নি। এখন নজর শীর্ষ নেতৃত্বের বক্তব্য ও পরবর্তী সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের দিকে।
নিজস্ব সংবাদদাতা,শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরের শিল্প পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে এবং নতুন বিনিয়োগের পরিবেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মন্ত্রিপরিষদ। মোট ১৬২.৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি নতুন শিল্প এস্টেট গড়ে তোলার প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গান্দারবল জেলার পেহলিপোরা এবং কাঠুয়া জেলার ভগতলী ভাগ-II এলাকায় এই শিল্পাঞ্চল দুটি তৈরি করা হবে। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় শিল্পোদ্যোগ, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরেই জম্মু ও কাশ্মীরে শিল্পের প্রসার, স্থানীয় উদ্যোগপতিদের জন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো তৈরি এবং বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। নতুন দুটি শিল্প এস্টেট সেই লক্ষ্য পূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।প্রস্তাবিত প্রথম শিল্প এস্টেটটি গড়ে উঠবে গান্দারবল জেলার লার ব্লকের অন্তর্গত পেহলিপোরা এলাকায়। এই প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ৬০.৯২ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানানো হয়েছে। এই শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠলে স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তারা শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় জমি ও পরিকাঠামো পাওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয়ভাবে উৎপাদনভিত্তিক ছোট শিল্প, প্রক্রিয়াকরণ শিল্প এবং অন্যান্য উদ্যোগ গড়ে উঠলে এলাকার অর্থনৈতিাস্তবায়নের পর স্পষ্ট হবে।
আসানসোলে ছটপুজোর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে ৯৭ নম্বর ওয়ার্ডের দামোদর ভূতনাথ ছটঘাট পরিদর্শন করলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। সঙ্গে ছিলেন নগর নিগমের কমিশনার দিলীপ মিশ্র, মহকুমা শাসক সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। ঘাটের মেরামত, সাফ-সাফাই, পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন তিনি। নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি বসানো সহ অন্যান্য ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা করেন। এদিন শহরের আরও কয়েকটি ছটঘাটও পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।
ছটপুজো শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে রাজ্য সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানালেন পশ্চিম বর্ধমানে ছটপুজোর দায়িত্বে থাকা রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং।শনিবার আসানসোল সার্কিট হাউসে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর তিনি জানান, জেলার সব ছটঘাটে সিসিটিভি, অ্যাম্বুল্যান্স এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দল প্রস্তুত থাকবে। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।বৈঠকে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, অজয় পোদ্দার, জেলাশাসক এস পুন্নমবলম সহ বিধায়ক ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব সংবাদদাতা: বর্তমানে উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার একটি অত্যন্ত পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেমন এই সমস্যা দেখা যায়, তেমনই কম বয়সিদের মধ্যেও উচ্চ রক্তচাপের প্রবণতা বাড়ছে। অনিয়মিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, শরীরচর্চার অভাব, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব এই সমস্যার অন্যতম কারণ হতে পারে। দীর্ঘদিন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হৃদ্রোগ, স্ট্রোক, কিডনির সমস্যা-সহ একাধিক গুরুতর শারীরিক জটিলতার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে শুধুমাত্র ওষুধের উপর নির্ভর করলেই হবে না। পাশাপাশি জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনাও অত্যন্ত জরুরি। আর এই পরিবর্তনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম। প্রতিদিন নিজের শারীরিক সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যায়াম করলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ কমাতে এবং দীর্ঘমেয়াদে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য পাওয়া যায়।নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থা আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে। শারীরিক পরিশ্রমের ফলে হৃদ্যন্ত্র ধীরে ধীরে আরও দক্ষ হয়ে ওঠে। ফলে রক্ত সঞ্চালনের জন্য হৃদ্যন্ত্রকে তুলনামূলকভাবে কম পরিশ্রম করতে হতে পারে। পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা রক্তনালির স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানো, ইনসুলিনের কার্যকারিতা উন্নত করা এবং মানসিক চাপ কমানোর ক্ষেত্রেও ব্যায়ামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত মাঝারি মাত্রার শারীরিক কার্যকলাপ সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক—উভয় ধরনের রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য খুব কঠিন বা ব্যয়বহুল ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটার অভ্যাসই হতে পারে একটি কার্যকর উপায়।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা:** একসময়ের প্রত্যন্ত দ্বীপাঞ্চল আজ দক্ষিণ সুন্দরবনের অন্যতম ব্যস্ত জনপদ। ১৯৫০ সালের কাকদ্বীপের সঙ্গে বর্তমান এলাকার তুলনা করলে চোখে পড়ে বিরাট পরিবর্তন। বেড়েছে জনসংখ্যা, গড়ে উঠেছে বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা। তবে এই জনপদের নামের পিছনে রয়েছে এক আকর্ষণীয় জনশ্রুতি। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, একসময় মুড়িগঙ্গা নদীর কাছে ঘুঘুডাঙার তীরে একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপে প্রচুর কাকের আনাগোনা ছিল। সেই কাকের উপস্থিতি থেকেই দ্বীপটির নাম হয় কাকদ্বীপ বলে মনে করা হয়। দ্বীপটির চারদিকে রয়েছে ম্যানগ্রোভ অরণ্য। জনবসতি প্রায় নেই বললেই চলে। নদীভাঙনের আশঙ্কা মোকাবিলায় সেখানে ম্যানগ্রোভ লাগানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল। কাকদ্বীপের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তেভাগা আন্দোলনের স্মৃতি। বর্তমানে এই জনপদ দক্ষিণ সুন্দরবনের অর্থনীতি ও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মৎস্যশিল্প এখানকার অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। নগেন্দ্রবাজার মৎস্য বন্দরের সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষের জীবিকা। পাশাপাশি গঙ্গাসাগর যাওয়ার অন্যতম প্রধান পথ হওয়ায় মেলার সময় কাকদ্বীপে মানুষের যাতায়াত বাড়ে। একসময়ের বিচ্ছিন্ন দ্বীপাঞ্চল আজ ব্যস্ত জনপদে পরিণত হয়েছে। দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গ থেকে আসা বহু মানুষের বসতি, শ্রম ও উদ্যোগও এই এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিকাশে ভূমিকা রেখেছে। তবে এখনও কাকদ্বীপে মেট্রো বা বড় উড়ালপুলের মতো পরিকাঠামো নেই। তবুও মৎস্যজীবীদের পরিশ্রম ও সাধারণ মানুষের উদ্যোগে কাকদ্বীপের গুরুত্ব ক্রমশ বেড়েছে। ১৯৫০ থেকে আজ—প্রকৃতি, ইতিহাস ও মানুষের সংগ্রাম মিলিয়েই কাকদ্বীপের এই বদলে যাওয়ার কাহিনি।


নিজস্ব সংবাদদাতা: টানা মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির আশঙ্কার মধ্যেই আজ আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতির ইঙ্গিত মিলছে। রাজ্যের অধিকাংশ জেলায় আংশিক মেঘলা আকাশের পাশাপাশি রোদ ঝলমলে আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। তবে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি অঞ্চলে দুপুরের পর বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সকালের দিকে আবহাওয়া তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কোথাও কোথাও মেঘ জমতে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় অল্প সময়ের জন্য হালকা বৃষ্টি হতে পারে। তবে আপাতত রাজ্যজুড়ে ভারী বৃষ্টির কোনও নিশ্চিত ইঙ্গিত নেই। উত্তরবঙ্গেও রোদ ও মেঘের মিশ্র আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি এলাকায় দুপুরের দিকে রোদের তীব্রতায় গরম ও অস্বস্তি বাড়তে পারে। যাঁরা বাইরে বেরোবেন, তাঁদের প্রয়োজনে সঙ্গে ছাতা রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দুপুরের রোদে সতর্ক থাকাও জরুরি।
সব মিলিয়ে আজ বাংলার আবহাওয়া অনেকটাই স্বাভাবিক থাকার সম্ভাবনা। তবে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় পরবর্তী আবহাওয়া আপডেট এবং সরকারি সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখুন।
নিজস্ব সংবাদদাতা: রাসায়নিক সারের উপর নির্ভরতা কমিয়ে জৈব কৃষির প্রসারে এবার ভার্মি কম্পোস্ট ইউনিট তৈরিতে সরকারি সহায়তার সুযোগ। নির্দিষ্ট প্রকল্পের আওতায় যোগ্য কৃষকরা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি পেতে পারেন। গোবর, শুকনো পাতা ও কৃষিজ বর্জ্য ব্যবহার করে তৈরি করা যাবে কেঁচো সার। ভার্মি কম্পোস্ট মাটির উর্বরতা, গঠন ও জল ধারণক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে। কৃষকরা নিজেদের জমিতে এই সার ব্যবহার করার পাশাপাশি অতিরিক্ত উৎপাদিত সার বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় করতে পারেন। এই ইউনিট তৈরিতে ইটের বেড বা বিশেষ কম্পোস্টিং কাঠামো ব্যবহার করা হয়। তবে ভর্তুকির পরিমাণ ইউনিটের আকার, প্রকল্পের নিয়ম ও কৃষকের যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল। ৫০ শতাংশ ভর্তুকি সবার জন্য নিশ্চিত নয়। আগ্রহী কৃষকরা ব্লক কৃষি দফতর বা জেলা কৃষি দফতরে যোগাযোগ করে প্রকল্পের বর্তমান নিয়ম, আবেদন পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় নথি জেনে নিন। ইউনিট তৈরির আগে সরকারি অনুমোদন প্রয়োজন কি না, সেটিও যাচাই করে নিন।
নিজস্ব সংবাদদাতা: চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে গ্লেন ফিলিপসের ঝোড়ো শতরানের দাপটে ভারতকে ৮৭ রানে হারাল নিউজিল্যান্ড। ৪৯ বলে ১০৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ৬টি চার ও ১০টি ছক্কা হাঁকান ফিলিপস। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দেন মাইকেল ব্রেসওয়েল। মাত্র ২৫ বলে ৬৫ রান করেন তিনি।প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫৯ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ২৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৭২ রানেই আটকে যায়।ভারতের হয়ে তিলক বর্মা ৩৫ এবং অভিষেক শর্মা ২৭ রান করেন। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের বোলারদের সামনে বড় জুটি গড়তে ব্যর্থ হয় ভারতীয় ব্যাটিং বিভাগ। জ্যাকব ডাফি ২৩ রান দিয়ে ৪টি উইকেট তুলে নেন।ফিলিপস ও ব্রেসওয়েলের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় নিউজিল্যান্ডের হাতে। ফিলিপস নির্বাচিত হন ম্যাচের সেরা। এই জয়ের পরও পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ভারত ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। আগামী ১ নভেম্বর হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ টি-টোয়েন্টি।
নিজস্ব সংবাদদাতা: এক নিষ্পাপ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর কথা জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শিশুটিকে আর ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়—এই বেদনার কথা স্বীকার করেই তিনি বলেছেন, নরেন্দ্র মোদীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বিপর্যস্ত পরিবারের পাশে ছুটে গিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষের বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ‘লোকধর্ম’। পরিবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ২০ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলেও আপনার দেওয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। শিশুটির ওপর নৃশংস শারীরিক নির্যাতন এবং হত্যার অভিযোগ ঘিরে যে গভীর শোক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে এই সহায়তার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে শিশুটির নাম, ঘটনাস্থল, ঘটনার তারিখ এবং ২০ লক্ষ টাকা সহায়তার সরকারি নথি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। তাই নিচের প্রতিবেদনটি আপনার দেওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে লেখা হচ্ছে; আর্থিক সহায়তার অঙ্ক ও ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশের আগে সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্র মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বিজেপি লোকধর্ম পালন করে। একটি সংখ্যালঘু পরিবারের ছোট্ট শিশুকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছিল। আমি হয়তো ওই শিশুটিকে আর ফিরিয়ে দিতে পারিনি, কিন্তু লোকধর্ম পালন করেছি। নরেন্দ্র মোদীজির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছুটে গিয়েছিলাম সেই পরিবারের পাশে দাঁড়াতে।” তাঁর এই বক্তব্যে মূলত মানবিক দায়িত্ব ও বিপদের সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা: ফসল নষ্ট হওয়া ও কম দামে বিক্রির সমস্যা কমাতে কৃষকদের জন্য রয়েছে বিদ্যুৎবিহীন সংরক্ষণ প্রযুক্তি। ‘জিরো এনার্জি কুল চেম্বার’ নামে এই ব্যবস্থায় ইট, বালি ও জল ব্যবহার করে ফল ও সবজি তুলনামূলক বেশি সময় সতেজ রাখা যায়। এর জন্য বিদ্যুতের প্রয়োজন হয় না। বাষ্পীভবন পদ্ধতিতে এই চেম্বারের ভিতরের তাপমাত্রা কম থাকে এবং আর্দ্রতা বজায় থাকে। ফলে টমেটো, বেগুন, কাঁচালঙ্কা, কলা, আম, পেঁপে-সহ বিভিন্ন কৃষিজ পণ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব। এই প্রযুক্তি তৈরিতে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত সরকারি ভর্তুকির সুযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সুবিধা সব রাজ্য বা কৃষকের জন্য নিশ্চিত নয়। ভর্তুকির পরিমাণ নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের নিয়ম ও যোগ্যতার উপর। আগ্রহী কৃষকরা নিজেদের ব্লক কৃষি দফতর বা উদ্যানপালন দফতরে যোগাযোগ করে প্রকল্পের বর্তমান নিয়ম, আবেদন পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় নথি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন।
টলিউডে ফেডারেশনের নির্বাচন ঘিরে নতুন করে বিতর্ক। শনিবার টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োয় ভোট চলাকালীন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কলাকুশলীদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, এই নির্বাচন অবৈধ। পূর্বতন ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠরাই ফের বিভিন্ন গিল্ডের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ না গেলেও অনেক টেকনিশিয়ানের নাম ভোটার তালিকায় নেই। ফলে অনেকে নির্বাচনে লড়ার সুযোগ পাননি। ২৬টি গিল্ডের মোট ৮০১০ জন ভোটারের মধ্যে প্রায় ১০০০ জনের নাম বাদ পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রায় ৩০০০ ভোটারের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে টেকনিশিয়ান স্টুডিয়ো ও এনটি-ওয়ান স্টুডিয়োর বাইরে উপস্থিত ছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী ও রুদ্রনীল ঘোষ। রুদ্রনীলের দাবি, ভোটার তালিকা তৈরির নিয়ম শ্রম কমিশন নির্ধারণ করেছে। অন্যদিকে, পাপিয়া অধিকারীও পুরনো ব্যবস্থায় গিল্ড কার্ড বিক্রি নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন। টলিউডে ‘ব্যান কালচার’ বন্ধ করে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরানোর আশ্বাস দিয়েছেন মিঠুন।
