


নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা, সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সুশাসনের দাবিকে সামনে রেখে ২ নভেম্বর, সোমবার কলকাতায় আয়োজিত হতে চলেছে ‘অরাজকতা হটাও, গণতন্ত্র বাঁচাও’ মহামিছিল। দুপুর ১টায় কলেজ স্কোয়ার থেকে এই মিছিল শুরু হয়ে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত যাওয়ার কথা। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানুষের অধিকার এবং সংগঠনের ঐক্যকে সামনে রেখেই এই মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে।এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য বাসন্তী বিধানসভার ভারতীয় জনতা পার্টির সমস্ত কার্যকর্তা, সমর্থক এবং গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের কাছে আন্তরিক আবেদন জানিয়েছেন বাসন্তী বিধানসভার বিজেপি কো-অর্ডিনেটর শ্রী প্রদীপ সরদার। তাঁর বক্তব্য, এই মহামিছিল কোনও ব্যক্তিবিশেষের পরিচিতি, পদমর্যাদা কিংবা ব্যক্তিগত ক্ষমতা প্রদর্শনের মঞ্চ নয়। বরং এটি মানুষের অধিকার, গণতান্ত্রিক আদর্শ এবং ঐক্যবদ্ধ জনশক্তির সম্মিলিত প্রকাশ।প্রদীপ সরদারের আহ্বান, গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে দলমত নির্বিশেষে মানুষের অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পক্ষে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। তাঁর মতে, সংগঠনের প্রকৃত শক্তি কোনও একজন নেতা বা ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। সংগঠনের শক্তি তৈরি হয় প্রতিটি নিষ্ঠাবান কার্যকর্তা, সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়। মহামিছিলের বার্তা দিতে গিয়ে তিনি তিনটি বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘পদ নয়, কাজই হোক পরিচয়। ব্যক্তি নয়, সংগঠনই হোক শক্তি। বিভেদ নয়, ঐক্যই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’ এই বার্তার মধ্য দিয়েই দলের অভ্যন্তরে ঐক্য ও সাংগঠনিক সংহতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি। বাসন্তী বিধানসভার বিজেপি কার্যকর্তাদের উদ্দেশে প্রদীপ সরদারের আবেদন, ব্যক্তিগত মতপার্থক্য এবং সমস্ত বিভেদ ভুলে বৃহত্তর সাংগঠনিক স্বার্থে একজোট হতে হবে। গণতন্ত্রের পক্ষে, সাধারণ মানুষের অধিকারের পক্ষে এবং বাসন্তীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।সব মিলিয়ে, ২ নভেম্বরের ‘অরাজকতা হটাও, গণতন্ত্র বাঁচাও’ মহামিছিলকে সামনে রেখে বাসন্তী বিধানসভায় বিজেপির তরফে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে
নিজস্ব সংবাদদাতা: ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে নতুন ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, ২ নভেম্বর এটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ৩ নভেম্বর ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোর ও নারসাপুরের মধ্যবর্তী উপকূলে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা। ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০-১১০ কিলোমিটার, দমকা হাওয়ার বেগ ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে আপাতত বড় প্রভাবের আশঙ্কা নেই। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে মঙ্গলবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কোচবিহার: রবিবার সকালে কোচবিহারের মাথাভাঙা-২ ব্লকের খড়িকাবাড়িতে ভেরিভেরি নদীর উপর সেতু ভেঙে নদীতে পড়ল সারবোঝাই লরি। ১৯৯৭ সালে তৈরি সেতুটি দীর্ঘদিন ধরেই বিপজ্জনক অবস্থায় ছিল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। দুর্ঘটনার জেরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। বিকল্প পথে যাতায়াতের পাশাপাশি প্রশাসন বাঁশের সাঁকো তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: উৎসবের মরসুমে ফের দাম বাড়ল বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের। ১ নভেম্বর থেকে কলকাতায় ১৯ কেজির সিলিন্ডারের দাম প্রায় ১৭ টাকা বেড়ে হয়েছে ২৯৭১ টাকা। এই নিয়ে টানা তিন মাস বাড়ল দাম। সেপ্টেম্বরে ১০ টাকা ও অক্টোবরে ৭০ টাকা বেড়েছিল। তবে স্বস্তি গৃহস্থের, ১৪.২ কেজির রান্নার গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৬৮ টাকায়। বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়ায় হোটেল ও রেস্তরাঁয় খাবারের খরচ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সুরক্ষা এবং ভোটার তালিকায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপের দাবি তুলেছে বিজেপি। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্যের ৯টি জেলায় ভোটার সংখ্যা ৭০ থেকে ১০৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে দাবি উঠেছে। এই পরিসংখ্যান ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ভোটার বৃদ্ধির কারণ এবং তালিকায় কোনও অনিয়ম রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে বিজেপি।বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের দীর্ঘদিনের তোষণনীতি ও ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির কারণে সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশের সমস্যা যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। দলের বক্তব্য, দেশের নিরাপত্তা এবং ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা নিয়ে কোনও আপস করা যাবে না। ভুয়ো পরিচয়, জাল নথি কিংবা একাধিকবার নাম নথিভুক্ত করার অভিযোগ থাকলে আইন মেনে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।তবে ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি মানেই অবৈধ অনুপ্রবেশ বা ভুয়ো ভোটারের প্রমাণ নয়। নতুন ভোটারের অন্তর্ভুক্তি, জনসংখ্যার পরিবর্তন, স্থানান্তর এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের কারণেও সংখ্যা বাড়তে পারে। তাই প্রকৃত তথ্য যাচাই করে পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।
নিজস্ব সংবাদদাতা: সুন্দরবনের কোলঘেঁষা সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লক। চারদিকে নদী, খাল, জলাভূমি ও সবুজ প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্য। কিন্তু এই সৌন্দর্যের আড়ালেই রয়েছে কঠিন জীবনসংগ্রাম। এখানকার মানুষের প্রতিটি দিন কাটে প্রকৃতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার লড়াইয়ে। কেউ মাছ ধরে, কেউ কৃষিকাজ করে, আবার কেউ দিনমজুরি বা ছোট ব্যবসার মাধ্যমে সংসার চালান। কিন্তু প্রতিটি জীবিকার সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। বর্ষাকালে অতিবৃষ্টি, জল জমে থাকা, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং ভাঙনের আশঙ্কা সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করে তোলে। অনেক জায়গায় কাঁচা রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে স্কুলপড়ুয়া থেকে কর্মজীবী মানুষ, সকলকেই সমস্যায় পড়তে হয়। মৎস্যজীবীদের মাছ ধরতে যাওয়াও আবহাওয়ার উপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে জল জমা ও লবণাক্ততার প্রভাব কৃষিকাজেও বাধা সৃষ্টি করে। যোগাযোগ ব্যবস্থাও এখানকার মানুষের অন্যতম বড় সমস্যা। চিকিৎসা, শিক্ষা কিংবা বাজারে পৌঁছতে অনেককে নদী ও খাল পার হতে হয়। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছনোও কঠিন হয়ে ওঠে। তাই উন্নত রাস্তা, সেতু, নৌ-পরিবহণ এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার দাবি গুরুত্বপূর্ণ।তবুও থেমে নেই সন্দেশখালির মানুষ। প্রতিদিন ভোরে জীবিকার সন্ধানে বেরিয়ে পড়েন তাঁরা। সন্তানদের পড়াশোনা, পরিবারের চিকিৎসা ও সংসারের খরচ সামলাতে প্রতিনিয়ত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের পাশাপাশি এই অঞ্চলের বাস্তব পরিচয় আসলে মানুষের নিরন্তর জীবনসংগ্রাম।
নিজস্ব সংবাদদাতা: পশ্চিমবঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার, কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং সরকারি কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষায় একাধিক উদ্যোগের কথা সামনে এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, বিএসএফকে জমি হস্তান্তর এবং নিরাপত্তা পরিকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি PM Surya Ghar, Ayushman Bharat, PM Awas Yojana, PM-KISAN এবং Beti Bachao, Beti Padhao প্রকল্পের সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং বিএসএফের পরিকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্য, আবাসন, কৃষি, বিদ্যুৎ ও নারীকল্যাণে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সুবিধা যোগ্য উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সরকারি কর্মীদের জন্যও রয়েছে আর্থিক সুবিধার ঘোষণা। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ DA বৃদ্ধির কথা জানানো হয়েছে। এর ফলে DA-র হার ১৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৮ শতাংশ হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে বর্ধিত DA কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের ঘোষণাও করা হয়েছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর ২৪ পরগনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার ঠাকুরনগরের মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে গিয়ে একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। মতুয়া উন্নয়ন বোর্ডের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ, আগামী বাজেটে ঠাকুরনগরকে পুরসভা এবং ছ’মাসের মধ্যে চাঁদপাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলাদের মাসে ৩ হাজার টাকা, প্রবীণদের ১,৫০০ টাকা ভাতা ও ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমার প্রতিশ্রুতি দেন। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যোগ্য সিএএ আবেদনকারীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ করার কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী
নিজস্ব সংবাদদাতা: শীতের মরশুম শুরু হওয়ার আগেই ধুলোর চাদরে ঢেকেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার হটুগঞ্জ থেকে রায়দীঘি যাওয়ার প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা। রাস্তার বেহাল দশা মেরামত করতে ইটের খোয়া ও গুঁড়ো ব্যবহার করায় যানবাহন চলাচলের সঙ্গে ছড়াচ্ছে ধুলো। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নিত্যযাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষায় রাস্তার গর্ত ও জলকাদার সমস্যায় ভুগতে হয়। এবার মেরামতির কাজ শুরু হলেও ধুলোর কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। বিশেষ করে ভারী ট্রাক ও দ্রুতগতির যান চলাচলে ধুলোর পরিমাণ বাড়ছে। দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে। ধুলোর কারণে শিশু ও বয়স্কদের শ্বাসকষ্ট, কাশি এবং চোখ জ্বালার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলে দাবি বাসিন্দাদের। রাস্তার আশপাশের দোকান ও বাড়িঘরও ধুলোয় ঢেকে যাচ্ছে। নিয়মিত জল ছেটানোর ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকায়।বাসিন্দাদের দাবি, অস্থায়ী মেরামতির বদলে দ্রুত স্থায়ী ও উন্নতমানের রাস্তা তৈরি করতে হবে। কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত জল ছেটানো এবং ভারী যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা: দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে ভারতীয় সেনার হাতে আসতে চলেছে অত্যাধুনিক সামরিক যান BvS10 Sindhu। বরফে ঢাকা লাদাখের দুর্গম পাহাড় থেকে গুজরাটের কচ্ছের উত্তপ্ত মরুভূমি, প্রতিকূল পরিবেশে সেনাবাহিনীর চলাচল ও সরঞ্জাম পরিবহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে এই যান। গুজরাটের হাজিরায় Larsen & Toubro (L&T) এবং ব্রিটেনের BAE Systems-এর যৌথ উদ্যোগে এটি তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ভারতীয় সেনার জন্য ইতিমধ্যেই ১৮টি গাড়ির বরাত দেওয়া হয়েছে। BvS10 Sindhu মূলত দুই অংশবিশিষ্ট একটি বিশেষ All-Terrain Vehicle। এর অভিনব কাঠামো ও ট্র্যাক-ভিত্তিক নকশার কারণে বরফ, কাদা, পাথুরে রাস্তা এবং অসমতল জমিতেও চলাচল করতে সক্ষম। সাধারণ সামরিক ট্রাক বা সাঁজোয়া গাড়ি যেখানে সমস্যায় পড়ে, সেখানে এই যান বিশেষ সুবিধা দিতে পারে। দুর্গম সীমান্তে সেনা মোতায়েন, সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া এবং জরুরি লজিস্টিক ব্যবস্থা সচল রাখার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা: ভোটাধিকার রক্ষা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার দাবিতে রবিবার, ১ নভেম্বর দিল্লিতে পথে নামল বিরোধী INDIA জোট। SIR বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বাতিল এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রামলীলা ময়দান অভিমুখে মিছিল করেন বিরোধী নেতারা। ‘গণতন্ত্র বাঁচাতে হাঁটুন, ভোটাধিকার রক্ষা করুন’ স্লোগানকে সামনে রেখে এই কর্মসূচিতে কংগ্রেস-সহ ২১টি বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের কথা ছিল। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে এই কর্মসূচিতে দেখা যায়। মিন্টো রোড সংলগ্ন এলাকা থেকে শুরু হওয়া মিছিল কনট প্লেস ও অজমেরি গেট হয়ে রামলীলা ময়দানের দিকে এগোয়।বিরোধীদের অভিযোগ, SIR প্রক্রিয়ার ফলে বহু প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে পরিযায়ী শ্রমিক, দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের ভোটাধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে দাবি তাঁদের। তাঁদের বক্তব্য, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে কোনও যোগ্য নাগরিককে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা চলবে না। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ দাবি করেছেন তাঁরা।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, ভুলবশত নাম বাদ পড়লে সংশ্লিষ্ট ভোটাররা পুনরায় নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন করতে পারেন। বিজেপির নেতারাও বিরোধীদের আন্দোলনের সমালোচনা করেছেন। কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। SIR-কে কেন্দ্র করে বিরোধী ও শাসক শিবিরের এই সংঘাত জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।
কুলটি, পশ্চিম বর্ধমান: আসন্ন কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো ও ছট পুজোকে সামনে রেখে উৎসবের আলোয় সেজে উঠল পশ্চিম বর্ধমানের কুলটি বিধানসভার ডিসেরগড়ে দামোদর নদের ওপর অবস্থিত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেতু।আজ সন্ধ্যায় এই বিশেষ আলোকসজ্জার শুভ উদ্বোধন করেন রাজ্যের মন্ত্রী ডাঃ অজয় কুমার পোদ্দার।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, “উৎসবের আনন্দ ও সৌন্দর্য সকলের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ুক, এটাই কামনা করি। আলোর উৎসবে আলোকিত সেতু মানুষের মনে বাড়তি আনন্দ যোগ করবে।”জানা গেছে, কালীপুজো থেকে শুরু করে ছট পুজো পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এই আলোকসজ্জা জ্বলবে। রঙিন আলোয় সেতুটি এখন নতুন রূপ পেয়েছে, যা ইতিমধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের নজর কাড়ছে।এই সেতু ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী। উৎসবের মরসুমে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই সেতু দিয়ে যাতায়াত করেন। তাই প্রশাসনের তরফে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যাতে উৎসবের আমেজ আরও বাড়ে।অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক আধিকারিক ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব সংবাদদাতা: পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ার নন্দীগ্রামে DYFI-এর ইউনিট সম্মেলনে হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠল বিজেপি সমর্থকদের বিরুদ্ধে। DYFI কর্মীদের দাবি, পতাকা উত্তোলনের সময় কয়েকজন বাঁশ নিয়ে তাঁদের উপর হামলা চালায়। ভাঙচুর করা হয় কয়েকজনের মোবাইল ফোন। এলাকায় বামপন্থী কার্যকলাপ করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকির অভিযোগ। বাধা সত্ত্বেও সম্মেলন সম্পন্ন করেন DYFI কর্মীরা। পরে জামুড়িয়া থানায় FIR করতে যান তাঁরা। বিজেপি বিধায়ক বিজন মুখার্জি অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাটিকে পারস্পরিক বিবাদ বলে দাবি করেছেন। ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: রাহুল গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নকে কটাক্ষ করে কংগ্রেস নেতাকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রবিবার চণ্ডীগড়ে এক সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হতে চাইলে রাহুল গান্ধীকে আজীবন নকল সংসদেই থাকতে হবে। কারণ, আসল সংসদে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ তাঁর কোনও দিনই আসবে না। শনিবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে বিরোধী জোটের প্রতীকী ‘নকল সংসদ’ আয়োজন নিয়েও কটাক্ষ করেন শাহ। তাঁর দাবি, গত ১৫ বছর ধরে তিনটি নির্বাচনে পরাজয়ের পর সনিয়া গান্ধীর ছেলেকে প্রধানমন্ত্রী করার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না বলেই এই উদ্যোগ। পাশাপাশি ১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী হিংসার বর্ষপূর্তির দিন দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধীদের সভা আয়োজন নিয়েও কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন তিনি।
নিজস্ব সংবাদদাতা: পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতায় বিজেপির জনসভা থেকে পুলিশ প্রশাসনকে সরাসরি বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানাকে উদ্দেশ্য করে সিপিআইএম নেতা তপন ঘোষের অবস্থান খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন তিনি। তপন ঘোষকে জেলে দেখতে চান বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি ছোট আঙারিয়া ও নন্দীগ্রাম-সহ বাম আমলের একাধিক রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার পুরনো মামলাগুলি নতুন করে খতিয়ে দেখার ঘোষণা করেন। সভায় ২০০১ সালের ছোট আঙারিয়া-কাণ্ড এবং ২০০৭ সালের নন্দীগ্রামের হিংসার প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, অতীতের ঘটনাগুলির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থাকা মামলার ফাইল ফের পরীক্ষা করা প্রয়োজন। অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তপন ঘোষ ও সুকুর আলির বিরুদ্ধে অতীতে হুমকির অভিযোগের কথাও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে ছোট আঙারিয়া মামলায় ২০০৯ সালে প্রমাণের অভাবে তপন ঘোষ, সুকুর আলি-সহ ১৩ জন অভিযুক্ত আদালতে বেকসুর খালাস পেয়েছিলেন। সিপিআইএমের পক্ষ থেকেও পুরনো মামলার আইনি নিষ্পত্তির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ফলে নতুন করে তদন্ত বা পদক্ষেপের ক্ষেত্রে আদালতের পূর্ববর্তী রায় এবং আইনি প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে ফের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR করার দাবি তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শনিবার, ৩১ অক্টোবর কলকাতার এক অনুষ্ঠানে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে আগের SIR প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ও বাধাহীনভাবে করা সম্ভব হয়নি। সরকারি কর্মীদের উপর হামলা, হুমকি এবং Form 7 পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনার কারণে বহু ভুয়ো ও অযোগ্য নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যায়নি বলে দাবি তাঁর। শমীক ভট্টাচার্যের অভিযোগ, SIR-এর কাজে যুক্ত ব্লক স্তরের আধিকারিক, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং বিজেপির বুথ স্তরের প্রতিনিধিদেরও হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছে। তাঁর মতে, সরকারি কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে রাজনৈতিক বাধা ছাড়াই নতুন করে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ করা জরুরি।ভোটার তালিকায় আপত্তি জানানো বা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নাম বাদ দেওয়ার আবেদন করতে Form 7 ব্যবহার করা হয়। এই ফর্ম পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে শমীক দাবি করেন, আগের প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার প্রয়োজন ছিল। তবে বিরোধী শিবিরের একাংশের আশঙ্কা, নতুন করে SIR হলে দরিদ্র, পরিযায়ী শ্রমিক ও প্রান্তিক মানুষের প্রকৃত ভোটাধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির জন্য নতুন করে সংশোধন প্রয়োজন। ফলে শমীক ভট্টাচার্যের এই দাবিকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে SIR বিতর্ক আরও জোরালো হল।
নিজস্ব সংবাদদাতা: আবাস যোজনার দুর্নীতি নিয়ে এবার কড়া অবস্থানের বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ আবাস যোজনার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কাউকেই রেয়াত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। শুধু অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপই নয়, আত্মসাৎ করা সরকারি অর্থও তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। আবাস যোজনার মূল উদ্দেশ্য আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারগুলির মাথার উপর পাকা ছাদের ব্যবস্থা করা। কিন্তু এই প্রকল্পের অর্থ বণ্টনে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। অভিযোগ, কোথাও প্রকৃত উপভোক্তারা প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, আবার কোথাও সরকারি অর্থ অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর বার্তা, সরকারি প্রকল্পের টাকা লুট করে কেউ পার পাবেন না। তদন্তে দুর্নীতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে টাকা ফেরত নেওয়ার পাশাপাশি আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজনে দোষীদের জেলেও পাঠানো হতে পারে। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী ঘোষণা করা যাবে না। যথাযথ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়াই শাস্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। আবাস যোজনার অর্থ যাতে প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছয়, তা নিশ্চিত করাই এই অবস্থানের মূল লক্ষ্য। সরকারি অর্থ আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং প্রাপ্য টাকা পুনরুদ্ধারের এই হুঁশিয়ারি ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা: একটানা ১১টি পুশ-আপ করতে পারবেন? শুনতে সহজ মনে হলেও এই চ্যালেঞ্জেই হিমশিম খাচ্ছেন বহু মানুষ। লেখক ও পডকাস্ট সঞ্চালক মেল রবিন্সের অনুষ্ঠানে অর্থোপেডিক সার্জন ডঃ ভন্ডা রাইটের পরামর্শ থেকেই জনপ্রিয় হয়েছে ‘১১ পুশ-আপ চ্যালেঞ্জ’। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই নিজেদের শারীরিক সক্ষমতা যাচাই করতে এই চ্যালেঞ্জে অংশ নিচ্ছেন অনেকে।ডঃ ভন্ডা রাইটের মতে, মহিলাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত পায়ের আঙুলের উপর ভর দিয়ে অন্তত ১১টি সাধারণ পুশ-আপ করতে পারা। তাঁর বক্তব্য, পুশ-আপ শরীরের বুক, কাঁধ, বাহু ও পেটের পেশির শক্তি যাচাইয়ের একটি কার্যকর উপায়। বিশেষ করে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পেশির সক্ষমতা ধরে রাখতে শক্তিবর্ধক ব্যায়ামের গুরুত্ব রয়েছে। তবে ১১টি পুশ-আপ করতে না পারলেই কেউ শারীরিকভাবে দুর্বল, এমনটা মনে করার কারণ নেই। বয়স, শারীরিক গঠন ও ব্যায়ামের অভ্যাস অনুযায়ী সক্ষমতা আলাদা হয়। নতুনদের জন্য দেওয়ালে হাত রেখে পুশ-আপ দিয়ে শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পরে উঁচু টেবিল, হাঁটু মাটিতে রেখে এবং ধীরে ধীরে পূর্ণ পুশ-আপের অনুশীলন করা যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত বেশি পুশ-আপ করার চেয়ে সঠিক পদ্ধতিতে ব্যায়াম করা বেশি জরুরি। ব্যথা বা অস্বস্তি হলে থামতে হবে। এই চ্যালেঞ্জের মূল উদ্দেশ্য ১১ সংখ্যায় পৌঁছনো নয়, বরং নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে পেশির শক্তি ও সুস্থতা বজায় রাখা।
নিজস্ব সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর : দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজার ব্লকের দক্ষিণ বিষ্ণুপুর। আদিগঙ্গার প্রাচীন অববাহিকার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এই শ্মশানকালী মন্দির শুধু একটি ধর্মস্থান নয়, বরং ইতিহাস, তন্ত্রসাধনা এবং মানুষের গভীর বিশ্বাসের এক অনন্য ঠিকানা। কথিত আছে, শতাধিক বছর আগে ঘন জঙ্গলে ঘেরা এই নির্জন শ্মশানে তান্ত্রিক সাধক মণিলাল চক্রবর্তী সাধনা শুরু করেন। দেবী করুণাময়ীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে প্রথমে টালির চালের নীচে পুজো শুরু করেন তিনি। পরে প্রতিষ্ঠিত হয় স্থায়ী মন্দির ও পঞ্চমুণ্ডির আসন। তাঁর পর চক্রবর্তী পরিবার আজও দেবীর সেবা-পূজার দায়িত্ব পালন করে আসছে।
মন্দিরের অন্যতম বিস্ময় দেবীর প্রতিমার পিছনে সযত্নে রাখা ১০৮টি নরমুণ্ড। তন্ত্রসাধনার ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এই মন্দিরের পরিচয়। তবে তন্ত্রমতে পুজো হলেও এখানে পশুবলি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কালীপুজোর রাতে ডাকিনী-যোগিনী-সহ উপদেবতাদের বিশেষ নিবেদন এবং গভীর রাতে শেয়ালদের জন্য ‘শিয়াল ভোগ’ দেওয়ার প্রাচীন রীতিও আজও প্রচলিত।
একসময় ভয় ও রহস্যে ঘেরা এই শ্মশানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ ছিল সীমিত। আজ জঙ্গল কমেছে, বেড়েছে জনবসতি ও যাতায়াত। তবু সন্ধ্যা নামলে শ্মশান চত্বরে যেন ফিরে আসে সেই প্রাচীন রহস্যময় আবহ। আর শ্যামাপুজোর রাতে হাজার হাজার ভক্ত দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন মা করুণাময়ীর আশীর্বাদ নিতে। ইতিহাস আর বিশ্বাসের মেলবন্ধনে দক্ষিণ বিষ্ণুপুরের এই মন্দির আজও বহন করে চলেছে এক অনন্য ঐতিহ্য।

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: আর জি কর কাণ্ডে মেয়ের মৃত্যুর সুবিচার এখনও অধরা, সিবিআইয়ের তদন্তের অগ্রগতি নিয়েও এবার প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানালেন অভয়ার মা তথা পানিহাটির বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথ। তাঁর অভিযোগ, পরিবার কখনও সিবিআই তদন্তের দাবি জানায়নি। আদালত তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দিলেও এখনও প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি। রত্নার কথায়, সিবিআই যদি দায়িত্ব সামলাতে না পারে, তবে তদন্ত থেকে সরে দাঁড়াক। একইসঙ্গে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরেও দুর্নীতি কমেনি বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে দুর্নীতির একাধিক ফাইল তাঁর হাতে এসেছে। সেই অভিযোগগুলিরও নিরপেক্ষ তদন্ত চান তিনি। এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে অভিযোগ জানাবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রত্না। উল্লেখ্য, মেয়ের বিচারের দাবিতেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পানিহাটির বিধায়কও নির্বাচিত হন। কিন্তু সরকার পরিবর্তনের পরেও বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে তাঁর অসন্তোষ নতুন করে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে আবারও তৈরি হয়েছে নতুন আবহাওয়া ব্যবস্থা। এই নতুন সিস্টেমকে ঘিরে আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা। শক্তি সঞ্চয় করে এই সিস্টেমটি দক্ষিণ ভারতের দিকে এগিয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়া সূত্রে জানা যাচ্ছে। সম্ভাবনা রয়েছে, অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়া সংলগ্ন এলাকায় স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে এটি। তবে এই সিস্টেমের সরাসরি প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের উপর পড়ার সম্ভাবনা আপাতত বিশেষ নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আপাতত রাজ্যে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা অনেকটাই কম। দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ, অধিকাংশ জেলাতেই আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা। সকাল থেকেই আকাশ পরিষ্কার থাকার পাশাপাশি দিনের বেশিরভাগ সময় রোদের দাপট লক্ষ্য করা যেতে পারে। কোথাও কোথাও আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা গেলেও বড়সড় বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই। দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় আজ বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি বিশেষ নেই। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় মূলত শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। দিনের বেলায় রোদের তেজ অনুভূত হতে পারে। তবে স্থানবিশেষে আকাশে মেঘের আনাগোনা দেখা যেতে পারে এবং দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও আপাতত বড়সড় বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে আবহাওয়া মোটের উপর শুষ্ক থাকতে পারে। তবে পাহাড়ি ও সংলগ্ন কিছু এলাকায় স্থানীয় আবহাওয়ার কারণে সামান্য মেঘলা আকাশ কিংবা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
নিজস্ব সংবাদদাতা: তারকাদের উপস্থিতি ও ঝলমলে আয়োজনের মধ্যে ‘স্টার লাইট অনন্য সম্মান ২০২৬’-এর মঞ্চে বিশেষ নজর কাড়লেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তবে অভিনয়ের জন্য নয়, এ দিন আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এল তাঁর অভিনব পোশাক। প্রচলিত নকশার বাইরে গিয়ে পোস্টার প্রিন্টের শাড়ি বেছে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তাঁর এই ব্যতিক্রমী সাজ অতিথি ও অনুরাগীদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করে।শাড়ির নকশায় সাধারণ ফুলের ছাপ কিংবা একরঙা সৌন্দর্যের বদলে পোস্টারের আদলে প্রিন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সঙ্গে আধুনিক শিল্পভাবনার মেলবন্ধন ঘটেছে তাঁর সাজে। ঋতুপর্ণা বরাবরই পোশাকের ক্ষেত্রে নতুনত্ব ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা পছন্দ করেন। কখনও সাবেকি বাঙালি সাজ, কখনও আধুনিক পোশাক—বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁর নিজস্ব ফ্যাশন ভাবনার পরিচয় মিলেছে।বর্তমানে ফ্যাশন দুনিয়ায় ব্যক্তিগত পছন্দ ও সৃজনশীলতার গুরুত্ব বাড়ছে। তারকারাও বিশেষ অনুষ্ঠানে এমন পোশাক বেছে নিচ্ছেন, যা তাঁদের স্বতন্ত্র পরিচিতি তুলে ধরে। পোস্টার প্রিন্টের শাড়িও সেই নতুন প্রবণতারই অংশ। ছবির মতো নকশা ও গ্রাফিক্সের ব্যবহারে শাড়ি হয়ে উঠছে এক ধরনের চলমান ক্যানভাস।‘স্টার লাইট অনন্য সম্মান ২০২৬’-এর মঞ্চে ঋতুপর্ণার এই সাজ বুঝিয়ে দিল, ঐতিহ্যবাহী শাড়িতেও আধুনিকতার ছোঁয়া এনে সহজেই নজর কাড়া সম্ভব। তাঁর পোস্টার প্রিন্টের শাড়ি তাই অনুষ্ঠানের ফ্যাশন আলোচনায় আলাদা জায়গা করে নিয়েছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা: লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৩ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হল পাকিস্তান। ৩২৬ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করে ৪৮.৩ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৩১ রান তুলে নেয় তারা। পাকিস্তানের জয়ের প্রধান কারিগর ফখর জামান। ৯৯ বলে ১২৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন তিনি। এটি তাঁর আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্বাদশ শতরান। ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও ৬টি ছক্কা। ম্যাচের সেরাও নির্বাচিত হন ফখর। ১৪ রানে ২ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। এরপর ফখর জামান ও সাদ বেগ তৃতীয় উইকেটে ১৪৯ রানের জুটি গড়ে দলকে লড়াইয়ে ফেরান। সাদ ৭৫ বলে ৭৪ রান করেন। ফখর শতরান পূর্ণ করেন ৮৪ বলে। তাঁর বিদায়ের পর আরাফাত মিনহাস ও হাসান নওয়াজ ষষ্ঠ উইকেটে ৯৪ রান যোগ করেন। মাত্র ৩১ বলে ৬১ রান করে জয়ের পথ সহজ করেন আরাফাত। হাসান অপরাজিত থাকেন ৩৭ রানে। শেষ পর্যন্ত শাহিন শাহ আফ্রিদির ছক্কায় জয় নিশ্চিত হয় পাকিস্তানের। এর আগে কামিন্দু মেন্ডিসের ১৩১ এবং পাভান রথনায়েকের ৭৭ রানের সুবাদে শ্রীলঙ্কা ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩২৫ রান তোলে। পাকিস্তানের হয়ে শাহিন, হারিস রউফ ও নাসিম শাহ দুটি করে উইকেট নেন। এই জয়ের ফলে ২০০৮ সালের পর আবারও ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা জিতল পাকিস্তান।
নিজস্ব সংবাদদাতা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের শোনপুর খালপাড়ে জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে বাড়িতে ঢুকে হামলা, ভাঙচুর ও বোমাবাজির অভিযোগ উঠল তৃণমূল ঘনিষ্ঠ কন্ট্রাক্টর ছাকবাত ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, শনিবার গভীর রাতে কয়েকটি বাড়িতে ঢুকে আসবাবপত্র ও মোটরবাইক ভাঙচুর করা হয়। মারধর করা হয় মহিলা সদস্যদেরও। একাধিক বোমা ছোড়ার অভিযোগে আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উত্তর কাশিপুর থানার পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: দীর্ঘ ১৫ বছরের অপেক্ষার অবসান। পুরুলিয়ায় রেলের বিশেষ প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু করল প্রশাসন। গৌরীনাথধাম প্রান্ত থেকে পুরুলিয়া (চান্ডিল প্রান্ত) পর্যন্ত ৫.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ রেল ফ্লাইওভার লাইন নির্মাণের জন্য এই উদ্যোগ। ইতিমধ্যেই পুরুলিয়ার জেলাশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। প্রকল্পের জন্য মোট ৩৪.১২ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। ২০২৫ সালে এই প্রকল্পে ৪২৮.৭৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। পুরুলিয়া-২ ব্লকের সুরুলিয়া, রাঘবপুর ও বোঙাবাড়ি মৌজায় জমি নেওয়া হবে। এর মধ্যে সুরুলিয়ায় ২৫৫টি প্লটের ২৬.১১৬ হেক্টর, রাঘবপুরে ৭৯টি প্লটের ৬.৮৭৪ হেক্টর এবং বোঙাবাড়িতে ৯৭টি প্লটের ৮.৭৩৫ হেক্টর জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে জমির মালিকরা আপত্তি জানাতে পারবেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আদ্রা-চান্ডিল শাখায় পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল আরও মসৃণ হবে। পাশাপাশি যাত্রীবাহী ট্রেনের অপেক্ষার সময় কমবে এবং রেল পরিবহণে গতি আসবে। জমির উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ
নিজস্ব সংবাদদাতা: ইলিশ মাছ বাঙালির খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। পাশাপাশি এই মাছ বহু মৎস্যজীবীর জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস। কিন্তু অতিরিক্ত ও অপরিকল্পিত মাছ ধরার ফলে ইলিশের স্বাভাবিক বংশবিস্তার ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। তাই ইলিশ সংরক্ষণে সঠিক মাপের ফাঁসযুক্ত জাল ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছোট ফাঁসের জালে সহজেই আটকে যায় ছোট ইলিশ বা জাটকা। ফলে মাছগুলি পূর্ণবয়স্ক হওয়ার আগেই ধরা পড়ে যায়। অথচ এই ছোট মাছগুলিই বড় হয়ে ভবিষ্যতে ইলিশের সংখ্যা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারত। নির্বিচারে জাটকা ধরার ফলে পরবর্তী সময়ে বড় ইলিশের জোগান কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।অন্যদিকে, নির্দিষ্ট মাপের ফাঁসযুক্ত জাল ব্যবহার করলে ছোট মাছের একটি অংশ জালের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। এতে তারা স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে এবং পরবর্তী সময়ে প্রজননে অংশ নিতে পারে। ইলিশ সাধারণত প্রজননের সময় নদীর মিষ্টি পানির দিকে আসে। এই সময় প্রজননক্ষম মাছ নির্বিচারে ধরা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।এর প্রভাব শুধু মাছের উৎপাদনেই সীমাবদ্ধ নয়। ইলিশের সংখ্যা কমে গেলে মৎস্যজীবীদের জীবিকা এবং বাজারে মাছের জোগানেও সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই দীর্ঘমেয়াদে মৎস্যসম্পদ রক্ষা করতে নিয়ম মেনে মাছ ধরা জরুরি।ইলিশ সংরক্ষণে নির্দিষ্ট সময়ে জাটকা ধরা এবং প্রজনন মরশুমে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা মানার পাশাপাশি অনুমোদিত মাপের জাল ব্যবহার করতে হয়। নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
