চোরবাগান দুর্ঘটনা সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ব্যর্থতা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর
কলকাতা: কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণহানির মর্মান্তিক ঘটনায় প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, পর্যাপ্ত সতর্কতা, নিরাপত্তা এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকলে এই দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। একই সঙ্গে তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বক্তব্য, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার সরু গলিতে কীভাবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা ছাড়া এত বড় জনসমাগমের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা উচিত। দমকল বিভাগ ও কলকাতা পৌরনিগমের অনুমতি প্রক্রিয়া এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর মতে, যে পুজোকে ঘিরে বিপুল প্রচার এবং একাধিক সরকারি পুরস্কারের বিষয় রয়েছে, সেখানে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যথাযথ ব্যবস্থা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বড় পুজোমণ্ডপে ভিড় সামলানোর জন্য আগাম পরিকল্পনা, প্রবেশ ও বেরোনোর পথের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি থাকা অত্যন্ত জরুরি।
‘তদন্তের নামে প্রহসন নয়, চাই নিরপেক্ষ তদন্ত’
অধীর রঞ্জন চৌধুরীর দাবি, দুর্ঘটনার পর দায় এড়ানোর চেষ্টা না করে প্রকৃত কারণ সামনে আনতে হবে। প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের ভূমিকা, অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া এবং দুর্ঘটনার আগে ও পরে নেওয়া পদক্ষেপ—সবকিছুই তদন্তের আওতায় আনা উচিত। কোথায় নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা স্বচ্ছতার সঙ্গে নির্ধারণ করতে হবে।
পাশাপাশি, দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলি যাতে প্রয়োজনীয় সহায়তা পায়, সেই বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। দুর্গাপুজো বাংলার মানুষের আবেগ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তাই উৎসবের সময় বিপুল জনসমাগমের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনওরকম অবহেলা যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা এড়াতে কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে এসেছে। তবে প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।র ঘাটতি ছিল এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ছিল কি না, তা স্বচ্ছতার সঙ্গে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
পাশাপাশি, নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার উপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। দুর্গাপুজো বাংলার আবেগ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তাই উৎসবের সময় বিপুল জনসমাগম সামলাতে প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি থাকা জরুরি। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে। তবে প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।